ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে ইস্পাত কারখানায় দগ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু

রূপগঞ্জে রহিমা ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড কারখানার গলিত আগুনে দগ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটে চিকিৎসারত অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন ইলিয়াস (৩৫)। সে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার মৃধা বাড়ি এলাকার মোঃ ফজর আলী মিয়ার ছেলে। নিয়ন (২০)। তার পিতার নাম আহম্মদ। তার বাড়ি রাজবাড়ি জেলার রমকান্তপুর এলাকায়। চুল্লি বিস্ফোরনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়। বাকি ৪ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক।
গত ৪ মে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার সাওঘাট এলাকাস্থ রহিমা ইন্ডাষ্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেডে চুল্লি বিস্ফোরণ হয়। এতে ৭ শ্রমিক আগুনে ঝলসে যায়। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটে ভর্তি করা হলে শংকর নামের এক শ্রমিককে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক। পরে চিকিৎসারত অবস্থায় গতকাল ভোরে ইলিয়াস ও নিয়ন নামের আরও দুই শ্রমিক মারা যায়।
গত ছয় মাস যাবৎ কারখানায় লোহা উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বলছে যেখানে দূর্ঘটনা ঘটেছে সেখানে তারা কোন অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা দেখতে পাননি। শ্রমিকরা নিরাপত্তা সরজ্ঞাম ব্যবহার করেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, কারখানায় ডিউটিরত অবস্থায় তাদের কোন নিরাপত্তা পোষাক দেয়া হয়না। একপ্রকার মৃতে্যুর ঝুকিঁ নিয়েই তারা সেখানে কাজ করে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এসএস আইয়ুব হোসেন বলেন, দগ্ধ ৭ জসের মধ্যে ৩ জন মারা গেছে। বাকি ৪ জনের অবস্থা আশংকাজন। তাদের মধ্যে রাব্বির শরীরে ৯৮ শতাংশ, জুয়েলের শরীরে ৯৫ শতাংশ, আলমগীরের শরীরে ৯০ শতাংশ ও ইব্রাহিমের শরীরে ২৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ইস্পাত কারখানায় দগ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩

রূপগঞ্জে রহিমা ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড কারখানার গলিত আগুনে দগ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটে চিকিৎসারত অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন ইলিয়াস (৩৫)। সে কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার মৃধা বাড়ি এলাকার মোঃ ফজর আলী মিয়ার ছেলে। নিয়ন (২০)। তার পিতার নাম আহম্মদ। তার বাড়ি রাজবাড়ি জেলার রমকান্তপুর এলাকায়। চুল্লি বিস্ফোরনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়। বাকি ৪ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক।
গত ৪ মে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার সাওঘাট এলাকাস্থ রহিমা ইন্ডাষ্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেডে চুল্লি বিস্ফোরণ হয়। এতে ৭ শ্রমিক আগুনে ঝলসে যায়। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটে ভর্তি করা হলে শংকর নামের এক শ্রমিককে মৃত ঘোষনা করেন চিকিৎসক। পরে চিকিৎসারত অবস্থায় গতকাল ভোরে ইলিয়াস ও নিয়ন নামের আরও দুই শ্রমিক মারা যায়।
গত ছয় মাস যাবৎ কারখানায় লোহা উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস বলছে যেখানে দূর্ঘটনা ঘটেছে সেখানে তারা কোন অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা দেখতে পাননি। শ্রমিকরা নিরাপত্তা সরজ্ঞাম ব্যবহার করেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, কারখানায় ডিউটিরত অবস্থায় তাদের কোন নিরাপত্তা পোষাক দেয়া হয়না। একপ্রকার মৃতে্যুর ঝুকিঁ নিয়েই তারা সেখানে কাজ করে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাষ্টিক সার্জারি ইনষ্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এসএস আইয়ুব হোসেন বলেন, দগ্ধ ৭ জসের মধ্যে ৩ জন মারা গেছে। বাকি ৪ জনের অবস্থা আশংকাজন। তাদের মধ্যে রাব্বির শরীরে ৯৮ শতাংশ, জুয়েলের শরীরে ৯৫ শতাংশ, আলমগীরের শরীরে ৯০ শতাংশ ও ইব্রাহিমের শরীরে ২৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।