বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

সন্দ্বীপের কুমিরা-গুপ্তছড়া ঘাটে যাত্রীদের সাথে অশালীন আচরনের অভিযোগ

Muktir Lorai / ২০৭ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

সন্দ্বীপ প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে কুমিরা-গুপ্তছড়া ঘাটে যাত্রীদের সাথে ইজারাদার কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়তই অশালীন আচরনের অভিযোগ ওঠছে।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নের সাথে সাথে সন্দ্বীপের অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন ঘটলেও নৌ-যাতায়াতে কাটেনি সীমাহীন দুর্ভোগ।

বরং দিনদিন তা বেড়েই চলছে। মুল ভু-খন্ডের সাথে সন্দ্বীপের একমাত্র যাতায়াত মাধ্যম নৌ-রুট। সেখানে শীতকালে এক দেড় কিলোমিটার কাঁদা মাড়ানো, কোমড় পানিতে মানুষকে নামিয়ে দেওয়া এ সমস্ত দুর্ভোগ কাটাতে নির্মিত শত কোটি টাকার দুটি জেটি কোন কাজেই আসছেনা। সেগুলো কার্যকর করতে খাল খনন করে আরো ১৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সেটির সুফল পাওয়া নিয়েও অনিশ্চিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
এ সমস্ত দুর্ভোগকে এখন মানুষ নিয়তি হিসেবে মেনে নিলেও নতুন ভাবে ঘাটে টিকেট ব্যবস্থায় অনিয়ম, ইচ্ছে মতো সিরিয়াল লেখা, কর্মরত স্টাফদের অশালীন আচরন, কথায় কথায় গালাগাল, ছবি তুলতে গেলে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার হুমকি, শুকনো জায়গায় নামানোর সুযোগ থাকা সত্বেও পানিতে নামিয়ে দেওয়া, পান থেকে চুন খসলে পানিতে ফেলে দেওয়ার মতো হুমকি এবং ফেলে দেওয়ার ঘটনা যাত্রীদের হতবাক করে প্রতিনিয়ত।
জানা গেছে, শুক্রবার কুমিরা থেকে ছাড়া যাত্রীবাহি স্পীর্ডবোট সন্দ্বীপের কুলে কোমড় পানিতে থামিয়ে দিলে এক অসুস্থ নারী একটু কুলে ভিড়ানোর অনুরোধ জানান। এতে কর্মরত স্টাফ ক্ষেপে গিয়ে গালাগালি শুরু করে। এসময় তার স্বামী এর প্রতিবাদ করলে ঐ মহিলাকে ধাক্কা মেড়ে নামিয়ে দেয়। তাৎক্ষরিক কনকনে ঠান্ডাে কোমড় পানিতে ডুবে যায় ঐ মহিলা। এসব দেখে কয়েকজন স্টাফ দলবেঁধে ঐ যাত্রীর স্বামীকে নাজেহাল করে। এক পর্যায়ে কয়েকজন যাত্রী ক্ষোভে ফেটে পড়লে তারা আরো দলবদ্ধ হয়ে উশৃঙ্খল আচরন শুরু করে দেয়। কর্মরত টিকেট চেকারও তখন ঐ স্টাফকে থামাতে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে যাত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়লে টিকেট চেকার তার উপযুক্ত বিচার হবে বলে আশ্বস্ত করেন। নিরুপায় হয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন যাত্রী।

সাধারন যাত্রীরা মনে করেন ঘাট কর্তৃপক্ষ কখনো এ সব কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আমলে নেননা বলেই তারা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে যায়।

দ্রুত এ সমস্ত সমস্যা লাঘব না করলে অনলাইন এক্টিভিট ও যাত্রীরা কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নেবেন বলেও জনমত তৈরি করছেন সোসাল মিডিয়ায়। দ্রুত এ সমস্ত অনিয়ম অব্যবস্থাপনা প্রতিরোধে প্রশাসনেরও সহযোগিতা কামনা করেন তারা।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »