ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরাইলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার অডিশন সম্পন্ন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের তাজবীদুল কোরআন মাদ্রাসা মিলনায়তনে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন। এতে জেলার প্রায় ৬০টি মাদ্রাসার দুই শতাধিক ছাত্র প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে।
এখান থেকে বাছাই করা ১০ জন যাবে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায়, সেখান থেকে বাছাই করে আবার জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।
জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ ক্বারী জহিরুল ইসলাম, হাফেজ ক্বারী মাহমুদুল হাসান, হাফেজ মাওলানা আল আমিন।

কালিকচ্ছ তাজবীদুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী আফজাল খান বলেন, আমাদের মাদ্রাসায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিদের থেকে ১০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। এখান থেকে ১০ জনকে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার অংশ গ্রহণ করার জন্য ইয়েস কার্ড দেয়া হয়েছে যাচাই বাছাই করে। সেখানে ভালো করলে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিবে তারা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরাইলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার অডিশন সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৩:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের তাজবীদুল কোরআন মাদ্রাসা মিলনায়তনে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে আল কোরআনের আলো প্রতিযোগিতার জেলা অডিশন। এতে জেলার প্রায় ৬০টি মাদ্রাসার দুই শতাধিক ছাত্র প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে।
এখান থেকে বাছাই করা ১০ জন যাবে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায়, সেখান থেকে বাছাই করে আবার জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।
জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন হাফেজ ক্বারী জহিরুল ইসলাম, হাফেজ ক্বারী মাহমুদুল হাসান, হাফেজ মাওলানা আল আমিন।

কালিকচ্ছ তাজবীদুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী আফজাল খান বলেন, আমাদের মাদ্রাসায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিদের থেকে ১০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। এখান থেকে ১০ জনকে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার অংশ গ্রহণ করার জন্য ইয়েস কার্ড দেয়া হয়েছে যাচাই বাছাই করে। সেখানে ভালো করলে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিবে তারা।