• শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

সরাইলে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভিন্ন চিত্র

news / ৫৬ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ সরাইলে বিভিন্ন সড়কে সকাল থেকে ছোট যানবাহন এবং মানুষের চলাচল কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে এর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সরাইলের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বেরিকেড দিয়ে রেখেছে। যাতে করে মানুষ সচেতন হয় ঘরে থাকে।
কিন্তু মানুষ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাতে দেখা যায়। তারা কখনো সিএনজি তে করে রোগী সেজে অথবা ওষুধ কেনার কথা বলে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এসময় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সন্তুষ্ট না হলে তাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সিএনজি এবং অটো চালকরা পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে পাড়া মহল্লার রাস্তা ব্যবহার করে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। পুরো উপজেলা জুড়ে খাবার হোটেল ওষুধের দোকান এবং কাঁচা বাজার ছাড়া সকল ধরনের দোকান পাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো।
বেলা ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে থাকা ইউএনও আরিফুল হক মৃদুলকে দেখা যায়, সরাইল নাসিরনগর লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইল হাসপাতাল মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে। এসময় তিনি মানুষকে বিনাকারণে বাইরে না থাকার পরামর্শ দেন। তিনি নির্দিষ্ট কোন কারণ ছাড়া প্রাইভেট গাড়িকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এসময় একটি প্রাইভেট গাড়িকে জরিমানা করতেও দেখা যায়।

বেলা ১২টার দিকে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কুট্রাপাড়া মোড় বিশ্বরোড মোড়ে পুলিশকে দেখা যায় বেরিকেড দিয়ে রাখতে। পুলিশ খুব জরুরি কারণ ছাড়া কাউকে যেতে দিচ্ছিলেন না। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে এর চিত্র বদলাতে দেখা যায়। পুলিশের বেরিকেড থেকে একটু সরে গিয়ে সিএনজি এবং অটোর চালকরা যাত্রী আনা নেয়া করছেন। বিশ্বরোড মোড়ে গিয়ে দেখা যায় পুলিশের বেরিকেড থেকে একটু সরে গিয়ে কয়েকটি এম্বুল্যান্সকে দেখা যায় অতিরিক্ত ভাড়ায় যাত্রী উঠাতে। এছাড়া সিএনজির চালকরা ও পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে যাত্রী আনা নেয়া করছেন। এসময় সংবাদ কর্মীদের দেখে সিএনজি চালকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

এইবিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, আমরা সকাল থেকেই বিভিন্ন যায়গায় বেরিকেড এবং টহল জোরদার রেখেছি। আমরা নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কাউকে আসা যাওয়া করতে দিচ্ছি না।


এই বিভাগের আরো সংবাদ