• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
পাচার বাণিজ্যে মতানৈক্যের জেরে সীমান্তে অপহৃত নাবালক ৬ চিকিৎসক নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বরগুনা সরকারি হাসপাতাল সামাজিক দূরত্ব ভুলে রাসিক মেয়র লিটনের খাদ্য সামগ্রী বিতরন সলঙ্গায় ১০কেজি গাঁজাসহ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক বরুড়ায় ১৫০ অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন এসকিউ গ্রুপের শফিউদ্দিন শামীম বাবার মৃত্যুর একদিন পর মাকেও হারালেন সহকারী এটর্নি জেনারেল এড. ফারুক সাতক্ষীরা শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে উঠান বৈঠক আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মুরাদনগরে দিনব্যাপী ডিউটি অফিসারের ভূমিকায় এএসপি রূপগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত চার পলাতক আসামি গ্রেফতার
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

সাতদিনের ব্যবধানে মৃত্যুহার দ্বিগুণ

news / ৪৫ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে মাত্র সাতদিনের ব্যবধানে মৃত্যুহার দ্বিগুণ হয়েছে। গত ১৮ জুন মৃত্যু ছিল ৫৪, যা সাতদিনের ব্যবধানে বেড়ে ১০৮ হয়েছে। এছাড়াও ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৯ জেলাই করোনাভাইরাস সংক্রমণের অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ জেলায় সংক্রমণের হার ভয়াবহ পর্যায়ে।
শনিবার (২৬ জুন) সেন্টার ফর রিসার্চ, ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশনের (সিআরআইডিএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সিআরআইডিএ জানিয়েছে, গত ১৪ থেকে ২০ জুনের সংক্রমণের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ৪০টি জেলা অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে অভিমত দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে ২০ জুনের পর সংক্রমণের মাত্রা আরও অনেক বেড়ে গেছে। সবশেষ তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে (১৮-২৪ জুন) দেখা যায় যে, দেশের ৫৯টি জেলা অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে (সাপ্তাহিক শনাক্তের হার ১০ শতাংশের বেশি)। এর মধ্যে ৩৯টি জেলায় সংক্রমণের হার ভয়াবহ পর্যায়ের (সাপ্তাহিক শনাক্তের হার ২০ শতাংশের বেশি)।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, মাত্র সাতদিনের ব্যবধানে মৃত্যুহার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। জুনের ১৮ তারিখে দৈনিক মৃত্যু ছিল ৫৪, যা ৭ দিনের ব্যবধানে বেড়ে ১০৮ হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে বাংলাদেশে সংক্রমণ হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অধিক সংক্রমণক্ষম। এটি যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্ট থেকেও কমপক্ষে ৪০ শতাংশ বেশি সংক্রামক।

সিআরআইডিএ প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. শাহরিয়ার রোজেন জানান, ফাইজার এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দুটি ডোজ ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিপক্ষে কার্যকর। তবে বাংলাদেশে খুব অল্প মানুষ ভ্যাকসিনের আওতায় আসায় (৪ শতাংশের কম) অধিকাংশ মানুষ প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে আছে। সংক্রমণের হার যদি ক্রমাগত বাড়তে থাকে তাহলে আমাদের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা দিয়ে তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, এখন আর কেবল সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন বা শাটডাউন দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। সংক্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে জনসাধারণকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ