ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্ষুদ্রচাকশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Logo সরাইলে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, হুমকির মুখে ফসলি জমি Logo চীন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক উন্নয়ন বাড়াতে চায়;চীনা বাণিজ্য মন্ত্রী Logo চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালকে ‘ভোগ বৃদ্ধির বছর’ হিসাবে মনোনীত করে Logo শাজাহান শিকদার সম্পাদনিত ‘সম্মিলিত কবিতার বই-৪’ এর মোড়ক উম্মোচন Logo নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক এক ব্যবসায়ী আটক Logo ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলের মৃত্যু Logo আমতলী পৌর নির্বাচন ঘিরে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ

সুনামগঞ্জর তাহিরপুর শিশুরাও ধানর চারা সংগ্রহ ব্যস্ত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পষ মাসর শুরু থকই বারা ধানর চারা রাপণর উপযুক্ত সময়। এসময় কষকরা বীজতলা থক (জালাপুড়া) চারা সংগ্রহ কর জমিত চারা রাপণ কর। তাহিরপুর উপজলায় জমিত ধানর চারা রাপণ করত বড়দর সাথ তাল মিলিয় ভার থক সকাল ১১টা পর্যÍ অনক শিশুক বীজতলা থক চারা সংগ্রহর কাজ করত দখা যায়। ডিসম্বর ও জানুয়ারির প্রথম দিক ¯ুলর তমন চাপ না থাকায় শিশুরা অনকই এ কাজ লিপ্ত হয়। এছাড়াও এবছর কষি উপকরণসহ কষি শ্রমিকর মূল্য বদ্ধির কারণ বারা আবাদ করত গিয় হিমশিম খাছন হাওড় পাড়র কষকরা। হাত নগদ টাকা না থাকায় অনকই জমি রাপণর টাকার জন্য ধার দনা করছন। অনক এনজিও ঋণ নিয়ছন, অনক মহাজনী ঋপ নিয় টন টুন কানা রকম জমি রাপণ করছন। জমি রাপণর পর রয়ছ সচ, সারসহ কীটনাশক ব্যয়। সব মিলিয় কষক অনকটা দিশহারা হয় পড়ছন। কি করবন বুঝত পারছন না। মাটিয়ান হাওর ঘুরত গিয় কথা ৮-১০ বছর বয়সর রিয়াদ মিয়া, রবিন, রাহুল, মহদীর সাথ কথা হয়। তারা জানায়, এখন ¯ুল যাওয়া চাপ নাই। তাই আমরা ভার সকাল চারা সংগ্রহ করত আসি। প্রতি চারার মুইট (আটি) ২টাকা কর দয়। প্রতিদিন ৬০-৭০টা মুইট সংগ্রহ করত পারি। এ বিষয় মাটিয়া হাওর পাড়র কষক শাহানশাহ বলন, চারা সংগ্রহর কাজটা সহজ হওয়ায় সকাল হলই কাজ করত আগ্রহী অনক শিশুদর পাওয়া যায়। তা ছাড়া চারা সংগ্রহর কাজ বড় শ্রমিক আসত চায়না। কারণ এ বছর শ্রমিকর মূল্য বদ্ধি পয়ছ অনক। গত বছর ৩০০ থক ৩৫০ টাকা শ্রমিকর মজুরী ছিলা। এ বছর শ্রমিক মজুরি ৫০০ থক ৫৫০ টাকা। মজুরী বদ্ধি নিয় মাটিয়ান হাওর পাড়র কষক সাজিবুল মিয়া বলন, বর্তমান নিত্যপ্রয়াজনীয় সব
কিছুর বাজার মূল্য বদ্ধির কারন কষি শ্রমিকর মূল্যও বশি। তব রাপণর শুরুর দিক শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকর মূল্য অধিক হলও এখন দিন দিন তা কম আসছ। এবছর অন্যান্য বছরর তুলনায় আবহাওয়া ভালা থাকায় উপজলায় এবার বারা ফসলর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয় যাব বল অনকই মন করছন। তাহিরপুর সদর ইউনিয়নর ভাটি জামালগড় গ্রামর শ্রমিক সতু বর্মন বলন, বাজার সব কিছুর দর বশি স কারণই এবার কষি শ্রমিকরদরও একটু বশি। এ বছর শুরুত শ্রমিকর মূল্য ৬০০টাকা ছিলা এখন ৫০০টাকায় যত হয়। অনক কাজ না পয় বাড়িত চল যায়। শনির হাওর পাড়র কষক শাহিন মিয়া ও আরিফ মিয়া জানান, গত বছর থক এবার সবকিছুত দাম বড়ছ। বীজ ধান, সার, কীটনাশকসহ রাপণ শ্রমিকর মূল্য বদ্ধি পয়ছ মাত্রাতিরিক্তভাব। কানাটাই আর কম পাওয়া যাছ না। ফল উৎপাদন খরচর ব্যয়ভার নিয় কিছুটা চিতি হয় পড়ছন তারা। তারা আরাও জানান, প্রতি কিয়ার (৩০শতক) জমি পাওয়ার ট্রিলার চাষাবাদ করত গিয় পাওয়ার টিলার মালিকক কিয়ার(৩০শতক) প্রতি ৭০০ টাকা দিয়ছন। গত বছর এক কিয়ার জমি চাষাদ করত টিলার মালিকরা ৫০০ থক ৫৫০ টাকা নিতন। এবার ৭০০ টাকার কম তারা মানছন না। তাহিরপুর সদর রতনশ্রী গ্রামর পাওয়ার টিলার মালকি উজ্জল মিয়া জানান, বর্তমান ডিজলর বাজার দর রয়ছ প্রতি লিটার ১১০ টাকা। এবার প্রতি একর জমি চাষাবাদ কর ৭০০ টাকার কম নিল পাষাবনা।জ তাহিরপুর উপজলার কষি কর্মকর্তা হাসান উদ-দলা জানান, এবছর ১৭ হাজার ৩শত ৯৩ হক্টর জমিত বারা ধান চাষর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ছ। তব আশা করা যায় আবহাওয়া ভালা থাকল লক্ষ মাত্রা অতিক্রম করত পার। তিনি আরাও বলন, ধান রাপণ কষকদর রাইস প্ল্যাটার দিয় রাপণ করার পরামর্শ দিছি। রাইস প্ল্যাটার দিয় জমি রাপণ করল শ্রমিকর ঘাটতি পূরণ হব। এছাড়াও য কানা বিষয় কষকর সানালী ফসল রক্ষায় উপজলা কষি অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক কষকর পাশ থাকব।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জর তাহিরপুর শিশুরাও ধানর চারা সংগ্রহ ব্যস্ত

আপডেট সময় ০৯:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পষ মাসর শুরু থকই বারা ধানর চারা রাপণর উপযুক্ত সময়। এসময় কষকরা বীজতলা থক (জালাপুড়া) চারা সংগ্রহ কর জমিত চারা রাপণ কর। তাহিরপুর উপজলায় জমিত ধানর চারা রাপণ করত বড়দর সাথ তাল মিলিয় ভার থক সকাল ১১টা পর্যÍ অনক শিশুক বীজতলা থক চারা সংগ্রহর কাজ করত দখা যায়। ডিসম্বর ও জানুয়ারির প্রথম দিক ¯ুলর তমন চাপ না থাকায় শিশুরা অনকই এ কাজ লিপ্ত হয়। এছাড়াও এবছর কষি উপকরণসহ কষি শ্রমিকর মূল্য বদ্ধির কারণ বারা আবাদ করত গিয় হিমশিম খাছন হাওড় পাড়র কষকরা। হাত নগদ টাকা না থাকায় অনকই জমি রাপণর টাকার জন্য ধার দনা করছন। অনক এনজিও ঋণ নিয়ছন, অনক মহাজনী ঋপ নিয় টন টুন কানা রকম জমি রাপণ করছন। জমি রাপণর পর রয়ছ সচ, সারসহ কীটনাশক ব্যয়। সব মিলিয় কষক অনকটা দিশহারা হয় পড়ছন। কি করবন বুঝত পারছন না। মাটিয়ান হাওর ঘুরত গিয় কথা ৮-১০ বছর বয়সর রিয়াদ মিয়া, রবিন, রাহুল, মহদীর সাথ কথা হয়। তারা জানায়, এখন ¯ুল যাওয়া চাপ নাই। তাই আমরা ভার সকাল চারা সংগ্রহ করত আসি। প্রতি চারার মুইট (আটি) ২টাকা কর দয়। প্রতিদিন ৬০-৭০টা মুইট সংগ্রহ করত পারি। এ বিষয় মাটিয়া হাওর পাড়র কষক শাহানশাহ বলন, চারা সংগ্রহর কাজটা সহজ হওয়ায় সকাল হলই কাজ করত আগ্রহী অনক শিশুদর পাওয়া যায়। তা ছাড়া চারা সংগ্রহর কাজ বড় শ্রমিক আসত চায়না। কারণ এ বছর শ্রমিকর মূল্য বদ্ধি পয়ছ অনক। গত বছর ৩০০ থক ৩৫০ টাকা শ্রমিকর মজুরী ছিলা। এ বছর শ্রমিক মজুরি ৫০০ থক ৫৫০ টাকা। মজুরী বদ্ধি নিয় মাটিয়ান হাওর পাড়র কষক সাজিবুল মিয়া বলন, বর্তমান নিত্যপ্রয়াজনীয় সব
কিছুর বাজার মূল্য বদ্ধির কারন কষি শ্রমিকর মূল্যও বশি। তব রাপণর শুরুর দিক শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকর মূল্য অধিক হলও এখন দিন দিন তা কম আসছ। এবছর অন্যান্য বছরর তুলনায় আবহাওয়া ভালা থাকায় উপজলায় এবার বারা ফসলর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয় যাব বল অনকই মন করছন। তাহিরপুর সদর ইউনিয়নর ভাটি জামালগড় গ্রামর শ্রমিক সতু বর্মন বলন, বাজার সব কিছুর দর বশি স কারণই এবার কষি শ্রমিকরদরও একটু বশি। এ বছর শুরুত শ্রমিকর মূল্য ৬০০টাকা ছিলা এখন ৫০০টাকায় যত হয়। অনক কাজ না পয় বাড়িত চল যায়। শনির হাওর পাড়র কষক শাহিন মিয়া ও আরিফ মিয়া জানান, গত বছর থক এবার সবকিছুত দাম বড়ছ। বীজ ধান, সার, কীটনাশকসহ রাপণ শ্রমিকর মূল্য বদ্ধি পয়ছ মাত্রাতিরিক্তভাব। কানাটাই আর কম পাওয়া যাছ না। ফল উৎপাদন খরচর ব্যয়ভার নিয় কিছুটা চিতি হয় পড়ছন তারা। তারা আরাও জানান, প্রতি কিয়ার (৩০শতক) জমি পাওয়ার ট্রিলার চাষাবাদ করত গিয় পাওয়ার টিলার মালিকক কিয়ার(৩০শতক) প্রতি ৭০০ টাকা দিয়ছন। গত বছর এক কিয়ার জমি চাষাদ করত টিলার মালিকরা ৫০০ থক ৫৫০ টাকা নিতন। এবার ৭০০ টাকার কম তারা মানছন না। তাহিরপুর সদর রতনশ্রী গ্রামর পাওয়ার টিলার মালকি উজ্জল মিয়া জানান, বর্তমান ডিজলর বাজার দর রয়ছ প্রতি লিটার ১১০ টাকা। এবার প্রতি একর জমি চাষাবাদ কর ৭০০ টাকার কম নিল পাষাবনা।জ তাহিরপুর উপজলার কষি কর্মকর্তা হাসান উদ-দলা জানান, এবছর ১৭ হাজার ৩শত ৯৩ হক্টর জমিত বারা ধান চাষর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়ছ। তব আশা করা যায় আবহাওয়া ভালা থাকল লক্ষ মাত্রা অতিক্রম করত পার। তিনি আরাও বলন, ধান রাপণ কষকদর রাইস প্ল্যাটার দিয় রাপণ করার পরামর্শ দিছি। রাইস প্ল্যাটার দিয় জমি রাপণ করল শ্রমিকর ঘাটতি পূরণ হব। এছাড়াও য কানা বিষয় কষকর সানালী ফসল রক্ষায় উপজলা কষি অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক কষকর পাশ থাকব।