সুনামগঞ্জে নদীতে পাথর উত্তোলনের কারণে বসতবাড়ি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: অবাধে ড্রেজার মেশিন চালিয়ে নদীর পাড় কেটে পাথর উত্তোলন করছে একটি চক্র। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার পথে। অসহায় মানুষ বাধা দিতে গেলে পড়তে হচ্ছে নানান হুমকিতে। এই চক্রের অনেকে সিনিয়র নেতা কর্মী ও এম পি মহোদয়ের নাম ব্যবহার করে এই সব কাজের সাথে জরিত রয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাও ধোপাজান চলতি নদীতে ড্রেজার মেশিন চালিয়ে পাথর উত্তোলন করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এই নদী থেকে ড্রেজার মেশিনে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যার ফলে শত শত বসতবাড়ি বিলীন হওয়ার পথে। আর এসব অবৈধ কাজ ও ড্রেজার মেশিন এর তান্ডব করছে কাইয়েরগাও গ্রামের কিছু অসাধু লোক। নদীর পাড়ে অবস্থিত অধিকাংশ গরিব ও অসহায় মানুষের বসতবাড়ি। গ্রামের অসহায় মানুষ ভয়ে কিছু বলতে সাহস পায়না এই চক্রটির বিরুদ্ধে। আর প্রকাশ্যে দিবারাত্রি এই নদীর পাড় ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা পকেটে নিচ্ছে গ্রামের কিছু কোচক্রি মহল। চক্রটি নদীর পাড়ের গরিবদের ছয় নয় বুঝিয়ে জমি ক্রয় করে এবং এক প্রকার অপশক্তির দাপট খাটিয়ে জমির মধ্যে ড্রেজার মেশিন চালিয়ে পাথর উত্তোলন করে। জানা যায় এই চক্রটি সুনামগঞ্জ সদর থানার নাম বাঙিয়ে নদীর পাড়ে ড্রেজিং করে আসছে।এদের মধ্যে কাইয়েরগাও গ্রামের এরশাদ মিয়া(৩৬)পিতাঃ মতিউর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম (৩৯)পিতাঃ আজিজুল হক, শবিকুল ইসলাম (৫২) মাহবুব আলম উভয় পিতাঃ মৃত ডাঃ লতিফ,মুসা মিয়া (৪৪) পিতা মৃত লুপা মিয়া,আনোয়ার হোসেন(৫০) পিতাঃ সৈয়দ আহমেদ গংড়া মিলে ধোপাজান চলতি নদীতে তাদের বালি ও পাথর উত্তোলনের রমরমা ব্যবসা।সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সহিদুর রহমান এর নির্দেশে ইব্রাহিমপুর ও সদরগড় সুরমা নদীর খালের মুখে পুলিশ চেকপোস্ট করাতে তাদের উত্তোলনকৃত পাথর নৌকা ভর্তি করে নিয়ে যেতে পারে না। তাই নদীর পাড়ে তাদের পাথর স্টক করে রাখছে।
তাদের এই অপকর্মের জন্য দিশেহারা অসহায় মানুষেরা। তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে গেলে এবং আইনের আশ্রয় নিতে গেলেও তারা নানান ভাবে হুমকি দিয়ে থাকে অসহায় মানুষকে। মোটকথা এদের বিপক্ষে কথা বললেই ঝগড়াঝাটি এমনকি খুনাখুনির সম্ভবনা রয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *