বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

স্কুলে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আটকে টাকা আদায়ের অভিযোগ

Muktir Lorai / ১২৪ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০

করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন ফি সহ বিভিন্নখাত দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর এক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, টাকা না দেওয়ায় ফলাফল আটকে রেখে হয়রানি করা হচ্ছে তাদের। শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, নিয়মবহির্ভুত অর্থ নেওয়া হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেশন ফি সহ নানা খাত দেখিয়ে দাবি করা টাকার জন্য শিক্ষকদের রুঢ় আচরণের কথা সোমবার (০৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় বিদ্যালয় চত্বরে সময় নিউজকে জানিয়েছে ওই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আসমাউল ও শিহাব।

নওগাঁ সদর উপজেলার বাচারীগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন ধরেই জমা দেওয়া অ্যাসাইনমেন্টের ফলাফল জানার জন্য বিদ্যালয়ে এসে ওই দুই শিক্ষার্থীর মতো ঘুরছে।
বিভিন্নখাত দেখিয়ে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকা দাবি করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও বড় হিসাব দেখিয়ে টাকা দাবি করা হচ্ছে। আর টাকা না দেওয়ায় ফলাফল আটকে দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
৯ম শ্রেণির ছাত্র মারুফ সহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, যারা উপবৃত্তি পায় তাদের কাছ থেকেও সেশন ফি সহ টাকা দাবি করা হয়েছে। আমরা দাবি করছি, এবার করোনার কারণে সবার আর্থিক অবস্থা খারাপ তার পরও শিক্ষকরা চাপ দিচ্ছে টাকা না দিলে ছাত্রদের পাস করানো হবে না বলে ভয় দেখাচ্ছে।
আরও পড়ুন: বিকেলে সুস্থ লিটনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ, রাতেই মৃত্যু!
করোনাকালে যদিও বিদ্যালয় বন্ধ, তার ওপর বাড়তি অর্থ দাবি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবক ও জনপ্রতিনিধিরা।
এ বিষয়ে নওগাঁ বক্তারপুর ইউনিয়নের ৭ নং নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহজাহান বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি, আমাদের এলাকার মানুষ দরিদ্র। যারা টাকা দেওয়ার সামর্থ্য রাখে না, তাদের কাছ থেকে টাকা না নেওয়ার কথা বলছি। কিন্তু তারা টাকা নিচ্ছেই।
তবে প্রধান শিক্ষক মো. ওয়াহেদুর রহমান লিটনের দাবি, নীতিমালার ভিত্তিতেই অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা ৮ মাসের বেতন সহ আনুষঙ্গিক ৮শ’ টাকা নিচ্ছি। তবে এখন পর্যন্ত অর্ধেক শিক্ষার্থী টাকা দেয়নি।
নওগাঁ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়াসিউর রহমান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। যদি নিয়মের বাইরে অর্থ নেওয়া হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ে মোট ২শ ৯৪ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »