ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধায় বলিবড়ি-খৈরালা সড়কটি নির্মাণ কাজ আরম্ভ

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
সরাইলে বলিবাড়ি এলাকায় ৩০০ মিটার সংযোগ সড়কে দুর্ভোগ লাঘব হবে এলাকার মানুষের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা বলিবাড়ি থেকে আশুগঞ্জ উপজেলার ভুগইর খৈরালা পর্যন্ত পাকা সড়কের দূরত্ব প্রায় ৩০০ মিটার। স্থানীয় জনগণের দীর্ঘ দিনের একটা দাবি ছিলো এই সংযোগ সড়কটি নির্মাণের জন্য। সড়কটি নির্মাণ হলে দুই উপজেলার জনগণের চলাচলের সুবিধা বেড়ে যাবে অনেক গুন। বলিবড়ি থেকে খৈরালা পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ হলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার লোকের যাতায়াতের সুবিধা হবে। সরাইল থেকে আশুগঞ্জ উপজেলায় যেতে তখন মহাসড়কে না উঠেই এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।
বলিবাড়ি পাকা রাস্তা থেকে নির্মানের জন্য বেশিরভাগ জমি দিয়েছেন কাইয়ুম মিয়া, এছাড়া হাজী নূরুল ইসলাম ছাড়াও অনেকেই রাস্তার জন্য জমি দিয়েছেন।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) ৩০০ মিটার সংযোগ সড়কের দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

স্থানীয় পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মিষ্টার ও ৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের প্রচেষ্টায় ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সড়কটির কাজ শুরু করা হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল এই সংযোগ সড়কটি নির্মাণের। অবশেষে গতকাল তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত সড়কের মাটি কাটার কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান।
পানিশ্বর ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রতন মিয়া বলেন, সড়ক টি নির্মাণ করা হলে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
বলিবাড়ি ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমান আলী বলেন, সড়কটি নির্মাণ করা হলে সরাইল থেকে আশুগঞ্জ উপজেলায় যেতে অনেক সুবিধা হবে। এই রাস্তাটি হলে জমির দাম অনেক বেড়ে যাবে। এছাড়া কৃষকের জন্য অনেক সুবিধা হবে।
৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাওহীদ মিয়া ও৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আরজু বেগম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করা হলে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমবে অনেক। কেউ আর মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হবে না।

এই বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, এই এলাকাটি অনেক অবহেলিত। এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হলে ৫০-৬০ হাজার লোকের যাতায়াতের সুবিধা হবে। রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মাণ হয়ে গেলে আমি ইট দিয়ে সলিং করে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিবো। পরে পাকাকরণের ব্যবস্থা করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধায় বলিবড়ি-খৈরালা সড়কটি নির্মাণ কাজ আরম্ভ

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
সরাইলে বলিবাড়ি এলাকায় ৩০০ মিটার সংযোগ সড়কে দুর্ভোগ লাঘব হবে এলাকার মানুষের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা বলিবাড়ি থেকে আশুগঞ্জ উপজেলার ভুগইর খৈরালা পর্যন্ত পাকা সড়কের দূরত্ব প্রায় ৩০০ মিটার। স্থানীয় জনগণের দীর্ঘ দিনের একটা দাবি ছিলো এই সংযোগ সড়কটি নির্মাণের জন্য। সড়কটি নির্মাণ হলে দুই উপজেলার জনগণের চলাচলের সুবিধা বেড়ে যাবে অনেক গুন। বলিবড়ি থেকে খৈরালা পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ হলে প্রায় পঞ্চাশ হাজার লোকের যাতায়াতের সুবিধা হবে। সরাইল থেকে আশুগঞ্জ উপজেলায় যেতে তখন মহাসড়কে না উঠেই এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।
বলিবাড়ি পাকা রাস্তা থেকে নির্মানের জন্য বেশিরভাগ জমি দিয়েছেন কাইয়ুম মিয়া, এছাড়া হাজী নূরুল ইসলাম ছাড়াও অনেকেই রাস্তার জন্য জমি দিয়েছেন।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) ৩০০ মিটার সংযোগ সড়কের দৃশ্যমান কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর।

স্থানীয় পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মিষ্টার ও ৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের প্রচেষ্টায় ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সড়কটির কাজ শুরু করা হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল এই সংযোগ সড়কটি নির্মাণের। অবশেষে গতকাল তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত সড়কের মাটি কাটার কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান।
পানিশ্বর ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রতন মিয়া বলেন, সড়ক টি নির্মাণ করা হলে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
বলিবাড়ি ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইমান আলী বলেন, সড়কটি নির্মাণ করা হলে সরাইল থেকে আশুগঞ্জ উপজেলায় যেতে অনেক সুবিধা হবে। এই রাস্তাটি হলে জমির দাম অনেক বেড়ে যাবে। এছাড়া কৃষকের জন্য অনেক সুবিধা হবে।
৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাওহীদ মিয়া ও৭,৮,৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আরজু বেগম বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ করা হলে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমবে অনেক। কেউ আর মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হবে না।

এই বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, এই এলাকাটি অনেক অবহেলিত। এই রাস্তাটি নির্মাণ করা হলে ৫০-৬০ হাজার লোকের যাতায়াতের সুবিধা হবে। রাস্তাটি সম্পূর্ণ নির্মাণ হয়ে গেলে আমি ইট দিয়ে সলিং করে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিবো। পরে পাকাকরণের ব্যবস্থা করা হবে।