ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্ব উদ্যোগে দেশের স্বার্থে এগিয়ে যেতে হবে : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভা ২৮ জানুয়ারি সকাল ১০টায় গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল এর ৬ষ্ঠ তলার হলে পার্টির চেয়ারম্যান রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অবঃ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সভায় ১২ দলীয় জোটের জন্য নির্ধারিত একটি সেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার, ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডঃ সৈয়দ এহসানুল হুদা, মুসলিম লীগের সভাপতি শেখ মোঃ জুলফিকার চৌধুরী বুলবুল, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জমিয়তে উলামা এর সেক্রেটারী জেনারেল মুফতি গোলাম মো ইকরাম, জাগপার ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির মহাসচিব লায়ন ফারুক রহমান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির অতিঃ মহাসচিব তমিজউদ্দিন টিটু, ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মাওঃ শাহ আলম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম ও কল্যাণ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহ আল হাসান সাকিব প্রমুখ। দিনব্যাপী সভা পরিচালনায় ছিলেন পার্টির মহাসচিব আবদুল আওয়াল মামুন।

প্রধান অতিথি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন- সকল সমমনা দলের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে যুগপৎ আন্দোলন। এ বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝির কোনও সুযোগ নাই। দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্যমাত্রা একটাই। এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন। সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশকে ব্যবহার করে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। মনে রাখতে হবে আমরা জীবনের বিনিময়ে আন্দোলন করছি। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে এমন কোনও পরিস্থিতি ছিলনা। স্ব উদ্যোগে দেশের স্বার্থে এগিয়ে যেতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলনকে সফল করতে হবে। দেশের মানুষ বাচতে চায় সেজন্য তারা প্ল্যাটফর্ম খুজছে। সকল দল ও ব্যক্তির সন্মিলিত আন্দোলনে এই ফ্যাসিষ্ট সরকারকে হাটিয়ে সন্মিলিত সিদ্ধান্তে পরবর্তী সরকার হবে। রাষ্ট্র মেরামতের রুপরেখা বাস্তবায়ন করা হবে। ২৭ টি পয়েন্ট এর বাইরেও যদি নতুন কোনও প্রস্তাবনা জনগণের পক্ষ থেকে আসে সেটা আমরা বিবেচনা করব। এখন শুধু একটাই লক্ষ্য, এই সরকারকে হটাতে হবে। মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন- এই বাংলায়, এই ভূখন্ডে সকল স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম সবকিছু জোটের রাজনীতির ফল। গণবিরোধী স্বৈরাচার জাতির ঘাড়ে চেপে আছে।জোটবদ্ধ ভাবেই এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে। মেজর জেনারেল অবঃ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বলেন – ১২ দলীয় জোট যুগপৎ আন্দোলন করছে।লক্ষ্য একটাই এই সরকারের পতন। আমরা যে নামেই ডাকিনা কেন একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আমরা কোনও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবনা।বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভার মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনকে জোরদার ও সাংগঠনিক ভিত্তিকে মজবুত করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

স্ব উদ্যোগে দেশের স্বার্থে এগিয়ে যেতে হবে : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আপডেট সময় ০২:০১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভা ২৮ জানুয়ারি সকাল ১০টায় গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল এর ৬ষ্ঠ তলার হলে পার্টির চেয়ারম্যান রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল অবঃ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সভায় ১২ দলীয় জোটের জন্য নির্ধারিত একটি সেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার, ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডঃ সৈয়দ এহসানুল হুদা, মুসলিম লীগের সভাপতি শেখ মোঃ জুলফিকার চৌধুরী বুলবুল, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জমিয়তে উলামা এর সেক্রেটারী জেনারেল মুফতি গোলাম মো ইকরাম, জাগপার ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির মহাসচিব লায়ন ফারুক রহমান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির অতিঃ মহাসচিব তমিজউদ্দিন টিটু, ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মাওঃ শাহ আলম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম ও কল্যাণ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহ আল হাসান সাকিব প্রমুখ। দিনব্যাপী সভা পরিচালনায় ছিলেন পার্টির মহাসচিব আবদুল আওয়াল মামুন।

প্রধান অতিথি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন- সকল সমমনা দলের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে যুগপৎ আন্দোলন। এ বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝির কোনও সুযোগ নাই। দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্যমাত্রা একটাই। এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন। সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন অংশকে ব্যবহার করে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। মনে রাখতে হবে আমরা জীবনের বিনিময়ে আন্দোলন করছি। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে এমন কোনও পরিস্থিতি ছিলনা। স্ব উদ্যোগে দেশের স্বার্থে এগিয়ে যেতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলনকে সফল করতে হবে। দেশের মানুষ বাচতে চায় সেজন্য তারা প্ল্যাটফর্ম খুজছে। সকল দল ও ব্যক্তির সন্মিলিত আন্দোলনে এই ফ্যাসিষ্ট সরকারকে হাটিয়ে সন্মিলিত সিদ্ধান্তে পরবর্তী সরকার হবে। রাষ্ট্র মেরামতের রুপরেখা বাস্তবায়ন করা হবে। ২৭ টি পয়েন্ট এর বাইরেও যদি নতুন কোনও প্রস্তাবনা জনগণের পক্ষ থেকে আসে সেটা আমরা বিবেচনা করব। এখন শুধু একটাই লক্ষ্য, এই সরকারকে হটাতে হবে। মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন- এই বাংলায়, এই ভূখন্ডে সকল স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম সবকিছু জোটের রাজনীতির ফল। গণবিরোধী স্বৈরাচার জাতির ঘাড়ে চেপে আছে।জোটবদ্ধ ভাবেই এই সরকারকে পরাজিত করতে হবে। মেজর জেনারেল অবঃ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বলেন – ১২ দলীয় জোট যুগপৎ আন্দোলন করছে।লক্ষ্য একটাই এই সরকারের পতন। আমরা যে নামেই ডাকিনা কেন একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আমরা কোনও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবনা।বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির নিয়মিত সভার মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনকে জোরদার ও সাংগঠনিক ভিত্তিকে মজবুত করা হচ্ছে।