স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে একটি কুকুরকে মারতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ দফায় দফায় বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
এই ঘটনায় দুই গ্রামের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। আহতদের হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শাহরাস্তি উপজেলার ধোপল্লা গ্রামের তালুকদার বাড়ি ও রহিম মেম্বারের বাড়ীর লোকজনের সঙ্গে এনায়েতপুর গ্রামের লোকজনের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
বৃহস্পতিবার ধোপল্লা থেকে আসা একদল লোক এনায়েতপুর গ্রামের মানছুররার বাড়ীতে হামলা চালায়। সংঘর্ষের ঘটনার জেরে তার বাড়ীতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। এছাড়া এনায়েতপুরের লোকজন ধোপল্লা গ্রামের কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধোপল্লার আহত অহিদ ও আল আমিন। অপরদিকে এনায়েতপুরের কয়েকজন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। আহতের বেশিরভাগ রক্তাক্ত বলে জানান চিকিৎসকেরা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমা বলেন, হাজীগঞ্জের মারামারির ঘটনাগুলোতে কেউ অভিযোগ দিচ্ছে না। এনায়েতপুর ও ধোপল্লা দুই উপজেলার সীমানাবর্তী গ্রাম। দুই থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
বুধবার বিকালে ধোপল্লা বাজারের রাজনের চায়ের দোকানের সামনে একটি কুকুর বসা ছিল। ওই কুকুরকে ধোপল্লার এক ছেলে মারধর করে। এতে এনায়েতপুরের একটি ছেলে বাধা দেয়। প্রথমে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এরপার এনায়েতপুর থেকে একদল যুবক ও কিশোর ধোপল্লা বাজারে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
Copyright © 2025 Muktirlorai | মুক্তির লড়াই. All rights reserved.