সুইস ফেডারেল অ্যাসেম্বলির জাতীয় কাউন্সিলের স্পিকার মাজা রিনিকার এবং জাতীয় পরিষদের স্পিকার আন্দ্রিয়া কারোনির আমন্ত্রণে, চীনের জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান চাও ল্য চি, ২৮ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক সফর করেন।
রিনকার ও কারোনির সাথে সাক্ষাতে চাও ল্য চি বলেন, সুইজারল্যান্ড পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে প্রথম চীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর বিগত ৭৫ বছরে দেশ দুটি সমান, নবাযন ও জয়-জয়-এর সহযোগিতা চেতনা গড়ে তোলে এবং এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যে, ভিন্ন সামাজিক ব্যবস্থা, উন্নয়নের মান ভিন্ন, এবং বড় ও ছোট দেশের মধ্যে সহযোগিতা হতে পারে।
তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ডের সাথে দু’দেশের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করে, দ্বিপক্ষীয় নবোদিত কৌশলগত অংশিদারিত্বের সম্পর্কের উচ্চ মানের উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক চীন।
চাও ল্য চি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থা দুদেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল ও দীর্ঘকালীন উন্নয়নের জন্য ভিত্তি তৈরি করে। সুইজারল্যান্ডের সাথে উচ্চ পর্যায়ের বিনিময় বজায় রাখতে চায় চীন এবং আশা করে, আরও বেশি সুইস নেতা ও সংসদের সদস্য চীন সফরে আসবেন। সুইজারল্যান্ড প্রথম ইউরোপীয় দেশ, যে চীনের সাথে অবাধ বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং চুক্তি কার্যকর হবার পর থেকে দ্বিপক্ষীয় আর্থ-বাণিজ্যিক সহযোগিতা দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে।
চীনে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে স্বাগত জানায় বেইজিং। আর্ট, ক্রীড়া, শিক্ষার মতো ক্ষেতে সহযোগিতা গভীর করে দুদেশের মধ্যে মৈত্রী উন্নয়নের জন্য, সামাজিক ও জনমতের ভিত্তি জোরদার করবে চীন। দু’দেশ শান্তি ভালোবাসে ও বহুপাক্ষিকতাবাদের সমর্থক। আশা করা যায়, দু’দেশ বহুপক্ষীয় সমন্বয় জোরদার করতে পারবে এবং একসাথে একতরফাবাদ ও সংরক্ষণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
সূত্র:শিশির-আলিম-শুয়েই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
Copyright © 2025 Muktirlorai | মুক্তির লড়াই. All rights reserved.