ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ Logo চাঁদপুরে পুলিশ সুপারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত Logo খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি Logo জামাত সরকার গঠন করলে দেশের মাটিতে আর চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীর ঠাই হবেনা Logo কটিয়াদীতে কাঞ্চন ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Logo সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগী আটক Logo বদরখালীতে ১ টি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, জাল ও সামুদ্রিক মাছ জব্দ Logo ঝিনাইদহে ২ শতাধিক চক্ষু রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ Logo দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক ভাবে গ্রহণের সুযোগ সীমিত; তারেক রহমান Logo নতুন যুগে চীনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, নিরস্ত্রীকরণ ও অপ্রসারণ’ শ্বেতপত্র উপস্থাপন

২০২৩ সালে চীনের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০২:০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

চীন সরকার ২৬ ডিসেম্বর পঞ্চম জাতীয় অর্থনৈতিক গণনা ফলাফল প্রকাশের পর, অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইতিবাচক মন্তব্য করেছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে চীনের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির অবস্থান অটুট রয়েছে। গত পাঁচ বছরে বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির প্রতি চীনের অবদানের হার গড়ে ৩০ শতাংশ ছিল। চীন বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বৃদ্ধির উৎস। সিএমজি সম্পাদকীয় এসব কথা বলেছে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এবারের জাতীয় অর্থনৈতিক গণনার ফলাফল সঠিক এবং গত পাঁচ বছরে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিবর্তন বাস্তবসম্মত পরিস্থিতি প্রতিফলিত করেছে। বিশেষজ্ঞ ওয়াং সিও সং সিএমজিকে জানান, এই সফলতা অর্জনের পেছনে চীন সরকারের কার্যকর নীতি একাধিক কঠিনতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। পাশাপাশি চীন নতুন মানের উৎপাদন শক্তির উন্নয়ন আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়েছে এবং অর্থনৈতিক উচ্চ মানের উন্নয়নকে প্রচার করেছে। এ ছাড়া চীনের অর্থনীতির ভিত্তি স্থিতিশীল, সুবিধা বেশি, দৃঢ়তা শক্তিশালী, সম্ভাবনাও বড়। এই সব উপাদানের কাজে দেশের অর্থনীতি সুস্থ অবস্থায় বজায় রাখতে সম্ভব হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্য দেখা যায়, চীনের অর্থনীতির উন্নয়নকে সমর্থন দেয়ার প্রাণশক্তি অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে। বিশেষ করে উদ্ভাবনের উন্নয়নের কৌশল অব্যাহত বাস্তবায়নে অনেক সুফল দেখা গেছে। এ ছাড়া, চীনের অর্থনীতির সবুজ ও টেকসই বৈশিষ্ট্যও দিন দিন বাড়ছে। ২০২৩ সালে দেশের নতুন জ্বালানির যানবাহনের উৎপাদন পরিমাণ ৯৪ লাখ ৫৮ হাজারে পৌঁছায়। যা ২০১৮ সালের চেয়ে ৬.৯ গুণ বেড়েছে এবং টানা ৯ বছরে বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে।

চলতি বছরের সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটি অর্থনীতি বিষয়ক সম্মেলনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চীন অব্যাহতভাবে উচ্চ মানের উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ করবে, বিদেশি বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগ স্থিতিশীল করবে। বিশ্ববাসী আরও সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করতে পারে যে, চীনের অর্থনীতি সুস্থ উন্নয়নের ভিত্তি পরিবর্তন হয়নি, বিশ্বকে কল্যাণ বয়ে আনার নীতি পরিবর্তন হয়নি। তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য চীনের অর্থনীতির দেওয়া সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা। বেলজিয়াম চীন ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড কমিশনের চেয়ারম্যান বার্নার্ড ডেউইটের মতে, ‘একটি আরও সমৃদ্ধ চীন বিশ্বের অর্থনীতিকে আরও বেশি স্থিতিশীলতা যোগাবে, একটি আরও উন্মুক্ত চীন বিশ্বকে কল্যাণ বয়ে আনবে।’

সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে চিকিৎসার অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

SBN

SBN

২০২৩ সালে চীনের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে

আপডেট সময় ০২:০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

চীন সরকার ২৬ ডিসেম্বর পঞ্চম জাতীয় অর্থনৈতিক গণনা ফলাফল প্রকাশের পর, অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইতিবাচক মন্তব্য করেছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে চীনের জিডিপি ১৩০ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে পৌঁছেছে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির অবস্থান অটুট রয়েছে। গত পাঁচ বছরে বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির প্রতি চীনের অবদানের হার গড়ে ৩০ শতাংশ ছিল। চীন বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বৃদ্ধির উৎস। সিএমজি সম্পাদকীয় এসব কথা বলেছে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এবারের জাতীয় অর্থনৈতিক গণনার ফলাফল সঠিক এবং গত পাঁচ বছরে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিবর্তন বাস্তবসম্মত পরিস্থিতি প্রতিফলিত করেছে। বিশেষজ্ঞ ওয়াং সিও সং সিএমজিকে জানান, এই সফলতা অর্জনের পেছনে চীন সরকারের কার্যকর নীতি একাধিক কঠিনতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। পাশাপাশি চীন নতুন মানের উৎপাদন শক্তির উন্নয়ন আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়েছে এবং অর্থনৈতিক উচ্চ মানের উন্নয়নকে প্রচার করেছে। এ ছাড়া চীনের অর্থনীতির ভিত্তি স্থিতিশীল, সুবিধা বেশি, দৃঢ়তা শক্তিশালী, সম্ভাবনাও বড়। এই সব উপাদানের কাজে দেশের অর্থনীতি সুস্থ অবস্থায় বজায় রাখতে সম্ভব হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট তথ্য দেখা যায়, চীনের অর্থনীতির উন্নয়নকে সমর্থন দেয়ার প্রাণশক্তি অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে। বিশেষ করে উদ্ভাবনের উন্নয়নের কৌশল অব্যাহত বাস্তবায়নে অনেক সুফল দেখা গেছে। এ ছাড়া, চীনের অর্থনীতির সবুজ ও টেকসই বৈশিষ্ট্যও দিন দিন বাড়ছে। ২০২৩ সালে দেশের নতুন জ্বালানির যানবাহনের উৎপাদন পরিমাণ ৯৪ লাখ ৫৮ হাজারে পৌঁছায়। যা ২০১৮ সালের চেয়ে ৬.৯ গুণ বেড়েছে এবং টানা ৯ বছরে বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে।

চলতি বছরের সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটি অর্থনীতি বিষয়ক সম্মেলনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চীন অব্যাহতভাবে উচ্চ মানের উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ করবে, বিদেশি বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগ স্থিতিশীল করবে। বিশ্ববাসী আরও সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করতে পারে যে, চীনের অর্থনীতি সুস্থ উন্নয়নের ভিত্তি পরিবর্তন হয়নি, বিশ্বকে কল্যাণ বয়ে আনার নীতি পরিবর্তন হয়নি। তা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য চীনের অর্থনীতির দেওয়া সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা। বেলজিয়াম চীন ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড কমিশনের চেয়ারম্যান বার্নার্ড ডেউইটের মতে, ‘একটি আরও সমৃদ্ধ চীন বিশ্বের অর্থনীতিকে আরও বেশি স্থিতিশীলতা যোগাবে, একটি আরও উন্মুক্ত চীন বিশ্বকে কল্যাণ বয়ে আনবে।’

সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।