শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক: ইসলামী দৃষ্টিকোণ…হোসাইন মো: ইলিয়াস

ইসলামে শিক্ষকতা অতি সম্মানিত ও মহান পেশা হিসেবে স্বীকৃত। সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:“আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি” (ইবনে মাজাহ: ২২৯)। আল্লাহ তা’আলা বলেন: “তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যিনি তাদের নিকট পাঠ করেন তাঁর আয়াতসমূহ; তাদের পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত” (সূরা জুমু’আ: ২)। একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীকে শুধু শিক্ষিতই নয়; বরং নৈতিকতাসম্পন্ন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্বটাও পালন করে থাকেন। সর্বপ্রথম শিক্ষক আল্লাহ তা’আলা, কুরআনুল কারিমের ভাষায়: “তারা (ফেরেশতা) বলল, আপনি মহান, পবিত্র, আপনি আমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তা ব্যতীত আমাদের কোনোই জ্ঞান নেই; নিশ্চয়ই আপনি মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়” (সুরা বাক্বারা: ৩২)। তারপর যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ সে মহান দায়িত্ব পালন করেন। আচরণের ইতিবাচক ও কাক্সিক্ষত পরিবর্তন সাধনই শিক্ষার উদ্দেশ্য। আচরণে, কর্মে ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য প্রদান বা জ্ঞানদান করাকে শিক্ষা বলে। হযরত ইবরাহীম (আ.) দু’আ করে বলেন:“হে আমাদের রব! তাদের মধ্যে পাঠান এমন রাসূল, যিনি তাদের সমীপে আপনার আয়াতসমূহ পাঠ করবেন, কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেবেন এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনি মহাপরাক্রমশালী, স্নেহশীল ও প্রজ্ঞাময়” (সুরা বাক্বারা: ১২৯)। অতএব, যে শিক্ষা আত্মপরিচয় দান করে, মানুষকে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গঠন করে এবং পরোপকারী, কল্যাণকামী, মুত্তাকী ও অল্লাহর প্রতি অনুরাগী হতে সাহায্য করে, সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত করে এবং দূরদর্শিতা সৃষ্টি করে। আর সফল ও কার্যকর শিক্ষাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যমন্ডিত। নিম্নে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হলো:
ক. শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক:
‘শিক্ষক-মোরা শিক্ষক,
মানুষের মোরা পরমাত্মীয়,
ধরণীর মোরা দীক্ষক’ (কবি গোলাম মোস্তফা)।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক একটি অতি পবিত্র ও অনিন্দ্যসুন্দর সম্পর্ক। এ সম্পর্ক একই সাথে খুবই সাবলীল, মধুর, স্বতঃস্ফূর্ত আবার গাম্ভীর্যপূর্ণ। শিক্ষক প্রয়োজনে শিক্ষার্থীর ওপর অভিভাবকসুলভ কঠোরতা ও শাসন আরোপ করেন, আবার কখনো বন্ধুর মতো ভালোবাসেন, পরামর্শ দেন এবং উৎসাহ যোগান। শিক্ষার্থী শিক্ষককে অভিভাবকের মতো সম্মান করবে, আদেশ-উপদেশ মেনে চলবে, শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। শিক্ষক পথ দেখান, ভবিষ্যতের দিক-নির্দেশনা দেন। শিক্ষার্থী সেই দেখানো পথে ও নির্দেশনানুযায়ী চলবে। উদারতা, স্নেহ, মায়া-মমতা, ভালোবাসা আর শাসনের মধ্য দিয়ে একজন শিক্ষক তাঁর শিক্ষার্থীদের ভেতর যে স্বপ্নের বীজ বপন করেন, শিক্ষার্থী সেই স্বপ্নকে লালন করে নিজের জীবন গড়ে তুলবে। শিশুরা বৈচিত্র্যময় পৃথিবী সম্পর্কে বুঝতে শেখে শিক্ষকদের কাছে। শিক্ষকই জ্ঞানশূন্য মানবশিশুকে ভিন্ন চোখে বিশ্বকে দেখতে শেখান, স্রষ্টা ও সৃষ্টি সম্পর্কে সম্যক পরিচিত করেন, নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবহিত করেন এবং প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তাই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষকের সম্পর্ক হবে অভিভাবকসুলভ, সম্মান ও বন্ধুত্বপূর্ণ। তবে অবশ্যই সেই বন্ধুত্বের সীমা থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে কতিপয় কৌশল:
* শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ডাকতে পারা। এতে করে তারা সম্মানিত বোধ করবে এবং শিক্ষকের প্রতি অধিক মনোযোগী হবে;
* শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক আগ্রহ, আকাক্সক্ষা এবং পছন্দের বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া;
* লেকচার কমিয়ে আলোচনা বেশি করা এবং অ্যাকটিভ লার্নিংয়ের প্রতি জোর দেয়া;
* শিক্ষার্থীদের পাঠে অধিক অংশগ্রহণ করানোর চেষ্টা করা;
* প্রশংসার দ্বারা শিক্ষার্থীদের মন্তব্য ও প্রশ্ন করাকে পুরস্কৃত করা;
* শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে আনন্দিত ও উৎফুল্ল থাকবেন, যেন শিক্ষার্থীরা মনে করে, তাদের সংস্পর্শে এসে তিনি খুবই সন্তুষ্ট ও আনন্দিত;
* শিক্ষার্থী যেন পাঠদান কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে ভয় ও সংকোচবোধ না করে সে বিষয়ে তাদের সাহস এবং উৎসাহ প্রদান করা;
* পাঠদানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্র্ত অংশগ্রহণে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা;
* শিক্ষার্থী কোনো ভুল করলে দরদ সহকারে তা সংশোধন করে দেয়া;
* এক জায়গায় বসে না থেকে শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি করা; যাতে শিক্ষকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, এতে করে ভয় এবং দূরত্বের বিষয়টি কেটে যাবে;
* অসুস্থতা ও বিপদাপদে শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর নেয়া এবং তাদের জন্য দু’আ করা;
* শারীরিক প্রহার না করে ইতিবাচক মোটিভেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করা, কেননা শারীরিক প্রহার তাদের মনে ভীতির সৃষ্টি করে, যা পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতির কারণ হতে পারে।
খ. শিক্ষকের নিকট প্রত্যাশা:
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, মনীষী, দার্শনিক ও মহাকবি আল্লামা ইকবাল (র.)-এর ভাষায়: “বিদ্যালয়ের শিক্ষক হচ্ছেন একজন মিস্ত্রি, যিনি গঠন করেন মানবাত্মা”।
তাই একজন শিক্ষকের কাছে তাঁর শিক্ষার্থীর প্রত্যাশার অন্যতম হলো, শিক্ষক তাকে জীবনোপযোগী, যুগোপযোগী শিক্ষা দেবেন, অহীর জ্ঞানে আলোকিত করবেন। তাকে জ্ঞান অর্জনের পথ দেখাবেন, আলোর পথের যাত্রী করবেন। শিক্ষার্থীর ভেতর জ্ঞান লাভের, অজানাকে জানার, অদেখাকে দেখার এবং চেনা-জানা বিষয়গুলোকে নতুন করে চেনার আকাক্সক্ষা সৃষ্টি করে দেবেন, ভবিষ্যতের দিক-নির্দেশনা দেবেন। তাদের উৎসাহ, প্রেরণা ও শক্তি যোগাবেন। তাদের ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিকের দৃষ্টিভঙ্গি শেখাবেন। শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত মেধা ও সম্ভাবনাকে পরিপূর্ণ বিকাশে সর্বাত্মক সহায়তা করবেন। আলবার্ট আইনস্টাইন বলেন: ‘সৃজনশীল প্রকাশ এবং জ্ঞানে আনন্দ জাগ্রত করা শিক্ষকের সর্বোচ্চ শিল্প’। এইচ, জি, ওয়েলস বলেন: ‘একজন শিক্ষকের ওপরই বিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যৎ। এত বড় দায়িত্বকে কোনোমতেই অবহেলা করা উচিত নয়’। কবির ভাষায়:
‘সকলের মোরা নয়ন ফুটাই, আলো জ্বালি সব প্রাণে
নব নব পথ চলিতে শেখাই-জীবনের সন্ধানে।
পরের ছেলেরে এমনি করিয়া শেষে
ফিরাইয়া দেই পরকে আবার অকাতরে নিঃশেষে’।
সর্বোপরি শিক্ষকের কাছে প্রত্যাশা হলো, তিনি তাঁর শিক্ষার্থীকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে আলোকিত করে ভালো মানুষ হিসেবে, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবেন। স্রষ্টা ও সৃষ্টি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানদানপূর্বক ইহকালের সাফল্য অর্জন এবং পরকালের মুক্তির লক্ষ্যে তাদের প্রস্তুত করবেন। নৈতিকতার শিক্ষায় নিজেকে উত্তম মডেল হিসেবে তাদের সামনে উপস্থাপন করবেন।
গ. শিক্ষার্থীর নিকট প্রত্যাশা:
শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক উন্নয়নে শিক্ষার্থীর নিকট প্রত্যাশার অন্যতম হলো, শিক্ষার্থী শিক্ষকের দেয়া শিক্ষায় প্রকৃত অর্থেই শিক্ষিত হবে, ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবে। তাঁর দেখানো পথে চলবে, তাঁকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে, শিক্ষক হিসেবে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা দেবে। শিক্ষক যেমন শিক্ষার্থীর অনেক বড় শুভাকাক্সক্ষী, তেমনি তিনি প্রত্যাশা করেন তাঁর শিক্ষার্থীরাও তাঁকে ভালবাসবে, সম্মান করবে, অনুগত থাকবে এবং তাঁর জন্য দু’আ করবে। পিতা-মাতার অনুগত থাকবে, তাঁদেরকে ভালবাসবে এবং সম্মান ও শ্রদ্ধা করবে। এছাড়াও অন্য ভালো গুণাবলিসমূহ নিজের জীবনে অর্জনে সর্বাত্মকভাবে সচেষ্ট হবে। কবির ভাষায়:
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে”।
সর্বোপরি মহান রবের নির্দেশনানুযায়ী নিজের জীবন পরিচালনা করে ভালো মানুষ হিসেবে, ভালো সন্তান হিসেবে ও ভালো শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে তৈরি করবে।
ঘ. শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক উন্নয়নে করণীয়:
একজন শিক্ষক তখনই সফল হন যখন তিনি নিজ শিক্ষায় তাঁর শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করতে পারেন। আর শিক্ষার্থীও তখনই সফল হয় যখন সে সেই শিক্ষাকে আত্মস্থ করতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে এবং স্বীয় জীবনে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে। আর এ জন্য প্রয়োজন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যকার পবিত্রতম সুসম্পর্ক। এ সম্পর্ক উন্নয়নে কতিপয় করণীয়-
১. শিক্ষকের মহান মর্যাদা ও সম্মান সংরক্ষণ করা;
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়িতে শিক্ষানুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা;
৩. অভিভাবকের উচিত সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দেয়া, যেন তারা শিক্ষককে যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এবং তাঁদের নির্দেশনা মেনে চলে;
৪. শিক্ষকের নিকট সকল শিক্ষার্থী পবিত্র আমানত, তাই তাঁদের উচিত আমানতের যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রতিপালন করা;
৫. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে পরস্পরের ওপর অর্পিত দায়িত্ব-কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করা;
৬. পরস্পরের কাছে যে ইতিবাচক প্রত্যাশাগুলো রয়েছে সেগুলো পূরণ করা;
৭. কোনো পরিস্থিতিতেই কেউ কারো প্রতি অসদাচরণ না করা;
৮. শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের প্রতি সদা শ্রদ্ধাশীল থাকবে, শিক্ষক তাদের প্রতি আন্তরিক ও স্নেহশীল হবেন এবং ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ আচরণ করবেন;
৯. শিক্ষকের দ্বারা শিক্ষার্থী খুব বেশি প্রভাবিত হয়, তাই শিক্ষকের উচিত নিজের গুণাবলিগুলো শিক্ষার্থীর ভেতরে যত্নসহকারে ছড়িয়ে দেয়া;
১০. সাক্ষাতে পরস্পরের মধ্যে সালামের আদান-প্রদান নিশ্চিত করা;
১১. পোশাক-পরিচ্ছদ, চলন-বলন, আচার-আচরণ, পাঠদান কার্যক্রমসহ সকল ক্ষেত্রে ইতিবাচক গুণাবলি অর্জন ও অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষক নৈতিকতার মডেল হিসেবে নিজেকে শিক্ষার্থীর সামনে উপস্থাপন করবেন;
১২. শিক্ষার্থীকে আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে বিবেককে জাগ্রত রেখে সদা পিতা-মাতা ও শিক্ষকগণকে মান্য করা;
১৩. সর্বোপরি যথোপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমে, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষসহ সকলের উচিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কোন্নয়নে একসাথে কাজ করা।
পরিশেষে বলব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক পিতা-মাতা ও সন্তান-সন্ততির মধ্যকার সম্পর্কের পরই সর্বোত্তম পবিত্র এবং অনিন্দ্যসুন্দর সম্পর্ক। তাই পরস্পর পরস্পরের প্রতি স্নেহ, ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করত: স্ব-স্ব দায়িত্ব এবং কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করলে তাদের মধ্যকার অতি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র সুসম্পর্ক তৈরি হবে। আর তার সুফল শুধু এ দু’শ্রেণিই নয়; বরং দেশ-জাতি নির্বিশেষে সকলে ভোগ করতে সক্ষম হবে। তাই শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলের উচিত নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সর্বাত্মকভাবে সচেষ্ট হওয়া এবং শিক্ষাদানে বিশ^জাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক নবী ও রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে এবং শিক্ষাগ্রহণে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী সাহাবায়ে কিরাম (রা:)গণের জীবন ও আদর্শকে অনুসরণ করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল, আর প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে” (সহীহুল বুখারী ও সহীহ মুসলিম)। মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের প্রত্যেকের স্ব-স্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে ইহকালীন কল্যাণ এবং পরকালীন মুক্তি ও সফলতা নসীব করেন। আমীন!

লেখক:
হোসাইন মো: ইলিয়াস
কামিল, বিএ (অনার্স) কিং সউদ ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ, এমএ, এমফিল, ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়।
উপাধ্যক্ষ, নিবরাস মাদরাসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *