• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
  • Arabic Arabic Bengali Bengali English English
শিরোনাম
হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে র‌্যাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার নবীগঞ্জে বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা পবায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ সরাইলে নমুনা দেয়ার আগেই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে শনিবার থেকে নিবন্ধনকারীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে পবায় কোভিড-এ ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রণোদনা ঋণ বিতরণ উল্লাপাড়ায় স্বেচ্ছায় রাস্তা সংস্কার কঠোর লকডাউনে বাড়েনি সবজির দাম, সাধারণ মানুষর স্বস্তি ফিরলেও দুঃশ্চিন্তায় চাষীরা
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈদিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একদন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ

সরাইলে লকডাউনে মানুষের মাস্ক পরাতে অনীহা

news / ৬০ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা গুলোতে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। অনেকের মনেই ছড়িয়ে পড়ছে উদ্বেগ উৎকন্ঠা। তিন দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন সরকার। লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া সকল যানবাহন বন্ধ থাকবে এমনটাই রয়েছে নির্দেশনা। বন্ধ থাকবে সকল শপিং মল মার্কেট। কিন্তু সরাইলে লকডাউনে মানুষের মধ্যে মাস্ক পরাতে অনীহা দেখা যায়।

সোমবার সকাল ৬ টা থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের লকডাউন। চলবে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। কিন্তু লকডাউনকে উপেক্ষা করছেন লোকজন। তারা বিভিন্ন অযুহাতে বেরিয়ে পরছেন রাস্তায়। সড়কে দূরপাল্লার গাড়ি না থাকলেও সিএনজি রিকশা মোটরবাইক ছিলো চোখে পরার মতো। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বরোড ও কুট্রাপাড়া এলাকা থেকে পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপন ভ্যানে করে ৩-৪ গুণ বেশী ভাড়ায় যাচ্ছেন মানুষ তাদের গন্তব্যে। অনেকে যাচ্ছেন মাইক্রো ও মোটরবাইকে করে।

আর মাস্ক ব্যবহারে দেখা যায় উদাসীনতা, অনেকেই মাস্ক না পরে বেরিয়ে পরছেন রাস্তায়। তবে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কঠোর অবস্থানে থাকতে।

সরজমিনে দেখা যায়, ভোর পাঁচটার পরই সরাইলের বিভিন্ন সড়কে নেমে পড়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসলাম হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। সড়কে অনুমোদন বিহীন যানবাহন আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে তৈরী করা হয়েছে চেক পোষ্ট। বাঁশের মাচা ও লম্বা টেবিল ফেলে তৈরী করেছেন প্রতিবন্ধকতা। সরাইলের কুট্রাপাড়া মোড়, হাসপাতাল মোড়, কালিকচ্ছ বাজার, অন্নদা স্কুল মোড়ে তৈরী করা হয়েছে প্রতিবন্ধকতা।

প্রতিবন্ধকতার কারণে আটকা পড়ছে একের পর এক মাইক্রো, ট্রাক্টর, পিকআপ ভ্যান, সিএনজি চালিত ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। রাস্তায় চলাচলকারী সকল মানুষজন এবং যানবাহনে একই অবস্থা। কেউ মাস্ক পরতে চাইছেন না। সকলের মধ্যেই দেখা যায় মাস্ক ব্যবহারে অনীহা। অনেকেই মাস্ক ভাজ করে পকেটে গুজে রেখেছেন।

সিএনজি চালকরা পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বেছে নিয়েছেন সাহাপাড়া, বনিকপাড়া, বড়দেওয়ান পাড়া ও নিজসরাইল মহল্লার ভেতরের সড়ক। যার ফলে ওই মহল্লায় বসবাসরত পরিবার গুলোর শিশু কিশোরদের দূর্ঘটনায় পড়ার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এছাড়াও মহল্লার সড়ক গুলোতে সৃষ্টি হচ্ছে যানযট।

এখন পর্যন্ত সরাইল সদরের শপিংমল ও বিপণী বিতান গুলো বন্ধ থাকলেও সরাইল-নাসিরনগর সড়কের পাশের পশুর হাট গুলো খোলা ছিলো। এখানে ক্রেতা বিক্রেতা কারোর মুখেই মাস্ক দেখা যায় নি। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই পাল্টে যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের বিশ্বরোড ও কুট্রাপাড়া মোড় এলাকার দৃশ্যপট।

মহাসড়কের কুট্রাপাড়া এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে রেখেছেন খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ। মহাসড়কে সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা যায়।

দেখা যায় পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান ও মটরবাইককে যাত্রী আনা নেয়া। এ-সময় যাত্রীদের গন্তব্যে পৌছতে গুনতে হয় দ্বিগুণ ভাড়া। জেলা শহরের ভাড়াও দ্বিগুণ আদায় করছেন অটোরিকশা গুলো।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অধিক ভাড়া গুনে ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছেন সরাইলের অনেক খেঁটে খাওয়া মানুষ।

পুলিশের উপস্থিতিতেই মহাসড়কের উপর জ্যাম করে দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী ডাকছেন অটোরিকশা ও মোটরবাইকের চালকরা। অনেক মাইক্রো চালককে দেখা যায় সিলেটের ভাড়া হাকাচ্ছেন ৬ শত টাকা। আর বিশ্বরোড মোড় থেকে বাইক চালকরা আশুগঞ্জ, ভৈরবের ভাড়া হাকাচ্ছেন ৪-৫শত টাকা।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজালাল আলম বলেন, লকডাউনে কোন অটোরিকশা মহাসড়কের পাশে দাঁড়াবে না। আমি ১টা পর্যন্ত সড়কে ছিলাম। ১টার পর হয়তবা কিছু চালক সুযোগ নিয়েছে।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসলাম হোসেন বলেন, সরকার দেশের মানুষকে করোনা মহামারি থেকে বাঁচানোর জন্যই লকডাউন ঘোষণা করেছেন। আমাদের উচিত এ কাজে সরকারকে সহযোগিতা করা। আমরা লকডাউন বাস্তবায়নে ও সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের প্রতি সাধারণ মানুষের আন্তরিকতা মনযোগ বৃদ্ধিতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ