• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
পাচার বাণিজ্যে মতানৈক্যের জেরে সীমান্তে অপহৃত নাবালক ৬ চিকিৎসক নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বরগুনা সরকারি হাসপাতাল সামাজিক দূরত্ব ভুলে রাসিক মেয়র লিটনের খাদ্য সামগ্রী বিতরন সলঙ্গায় ১০কেজি গাঁজাসহ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক বরুড়ায় ১৫০ অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন এসকিউ গ্রুপের শফিউদ্দিন শামীম বাবার মৃত্যুর একদিন পর মাকেও হারালেন সহকারী এটর্নি জেনারেল এড. ফারুক সাতক্ষীরা শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে উঠান বৈঠক আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মুরাদনগরে দিনব্যাপী ডিউটি অফিসারের ভূমিকায় এএসপি রূপগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত চার পলাতক আসামি গ্রেফতার
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

আমতলীতে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন হলেও নেই পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা

news / ১৩১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব রোধে লকডাউন বাস্তবায়নে চলছে প্রশাসনের অভিযান।আর এ লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দোকানদার ও জনসাধারন মাক্স না পড়ার অপরাধে এবং মাক্স ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে গত ১০ জুলাই কঠোর লকডাউনের ১০ম দিনে আমতলী পৌরসভা ও অন্যান্য ইউনিয়নে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১৭টি মামলায় ১০ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা আদায় করেন আমতলী উপজেলা নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল ইসলাম।

কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে এদিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি আমতলী উপজেলার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাহ আলম হাওলাদার এর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বাজারে গুলোতে পুলিশ বাহিনীর সদস্য দ্বারা টহল জোরদার করা হয়েছে।জরুরী সেবা প্রদান কারী পরিবহনগুলো ছাড়া লকডাউনের প্রভাবে গনপরিহন সহ বিভিন্ন যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।এখন পর্যন্ত উপজেলায় ঔষধের দোকান নিয়মিত খোলা আছে।এছাড়া কিছু মুদি দোকান সীমিত আকারে কাঁচা মালের দোকান খোলা রয়েছে।তবে বিকাল ৫টার মধ্যে এসকল দোকানপাট গুলোও বন্ধ হয়ে যেতে দেখা গেছে।এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায়,এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নে লোকজনের যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে।প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেড় হলেই আইনশৃংখলা বাহিনী জেরা করছে।সিমিত কিছু ব্যাটারী চালিত ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেছে তবে যাত্রী উপস্থিতি নেই বল্লেই চলে।একি সাথে কিছু নিজস্ব মটর সাইকেল চলাচল করতে দেখা গেছে।প্রতিদিনের মতো উপজেলা নিবার্হী অফিসার কচুয়া বাজার সহ বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ও দোকানের সামনে মাক্স বিতরন অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্যদের সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত আছে।কড়াকড়ি অবস্থানে আছে পুলিশ সদস্য।এই যখন লকডাউনের পরিস্থিতি তখন জনগণের মাঝে চাপা অসন্তোষ ও কাজ করছে।এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা হয়েছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন,লকডাউন যেমন জরুরি তেমনি নিন্মআয়ের মানুষ কাজ হারিয়ে যে দুরবস্থা পার করছে এমন অবস্থায় তাদের খাদ্য সহায়তা ও জরুরি।পর্যাপ্ত সরকারি ত্রাণ সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকে।এমন অবস্থায় ধার-দেনা করে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।এছাড়া ব্যাক্তি উদ্যোগে দু-একজন সিমিত পরিসরে কিছু মানুষকে ত্রান সহায়তা দিলেও তা পর্যাপ্ত নয়।এমন মহামারী পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও বৃত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি বলে মনে করছে সচেতন মহল।


এই বিভাগের আরো সংবাদ