• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৮ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

কলকাতায় ছবির বাজার চাঙ্গা করার ব্রত নিয়েছে আর্টভার্স

Muktir Lorai / ৪১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সিদ্ধার্থ সিংহ, কলকাতা সংবাদদাতা: আই সি সি আর-এ শুরু হয়ে গেল আর্টভার্স-এর ছ’দিনব্যাপী ‘মনসুন ফেস্টিভাল ২০২১’ চিত্রকলা, আলোকচিত্র এবং ভাস্কর্য প্রদর্শনী।
প্রদর্শনীতে ছিল নোট ৫৪জন শিল্পীর ১৩৫টি শিল্পকর্ম। উদ্বোধনের দিন উপস্থিত ছিলেন গৌতম দে (প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক, আইসিসিআর), আর পার্থিবান (বর্তমান আঞ্চলিক পরিচালক, আইসিসিআর), পৃথ্বীরাজ সেন (বিশিষ্ট লেখক), অসিতবরণ মাইতি (প্রাক্তন জেলার, আলিপুর সেন্ট্রাল জেল), প্রত্যুষকুমার ঘোষ (ডিজিএম, মেট্রো রেলওয়ে), গুড্ডু (বিশিষ্ট অভিনেতা)-সহ আরও অনেকে।
ভিড় উপচে পড়া এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন শৈবাল চক্রবর্তী, রাজশ্রী সেনগুপ্ত, রোমি ভট্টাচার্য, ডা. রূপলেখা দে, প্রগতী ত্রিপাঠী, সোমাশ্রী দাস, মৌমিতা মারিক, অঙ্কুর দত্ত, বিবেকজ্যোতি রক্ষিত, দীপা মান্না, প্রচেতা ব্যানার্জি-সহ আরও অনেকে।
কী আঁকেননি তাঁরা? নিসর্গ থেকে দেবদেবীদের মূর্তি, বিমূর্ত থেকে অবিকল ফোটোগ্রাফির মতো তৈলচিত্র। আঁকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন অ্যাক্রেলিক থেকে ওয়াটার কালার, স্কেচ এবং একেবারেই অভিনব পদ্ধতি, বিদ্যুৎ দিয়ে আলো-আঁধারি ছায়াচিত্র।
গোটা পৃথিবীতেই ছবির বাজারে যখন মন্দা, মহামারীর প্রকোপ শুরু হওয়ার পরে সেটা যখন একেবারে মুখ থুবরে পড়েছে, ঠিক সেই সময়েই আর্টভার্সের এই প্রদর্শনী থেকেই ছবির বাজার যেন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করল। একের পর এক বিক্রি হয়ে গেল বেশ কয়েকটা ছবি।
ফলে আশার আলো দেখছেন এতদিন ধরে বছরে ৬ বার প্রদর্শনীর আয়োজন করা আর্টভার্সের সর্বময় কর্তা শুভঙ্কর সিংহ। তিনি জানিয়েছেন, আমি এই সংস্থা তৈরিই করেছিলাম শিল্পকলার সঙ্গে জড়িত লোকজনদের নিয়ে আলাদা একটা পৃথিবী গড়ে তুলব বলে। সেই কাজে আমি এখনও পুরোপুরি সফল না হলেও, আমি যে সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছি, এতে আমি নিঃসন্দেহ। এ বার ভাবছি, যেভাবে শিল্পী, শিল্প সমালোচক এবং শিল্পপ্রেমীদের বিপুল সাড়া পাচ্ছি, তাতে আশা করি, আগামী দিনে শিল্পী এবং তাঁদের শিল্প, দুটোরই কদর দিনকে দিন বাড়তে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে আর্টভার্সও পৌঁছে যাবে বাংলার বাইরে অবস্থিত শিল্পী এবং তাঁদের শিল্পর কাছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ