কুমিল্লার ছেলে আখতার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন এর ইনসুলিন পেপটাইডস্ ল্যাব এর হেড

ডেস্ক রিপোর্টঃ
এসোসিয়েট প্রফেসর ড. আখতার হোছাইন সমগ্র অস্ট্রেলিয়ায় একমাত্র বিজ্ঞানী যিনি প্রজেক্ট লিডার হিসেবে গত পাঁচ বছরে

গবেষণার জন্য ৪০ লক্ষ ডলার এওয়ার্ড পেয়েছেন।
ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী অণু আবিষ্কার সহ অবেসিটি ও ইনসুলিন নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

আখতার হোছাইন মাতৃস্নেহহীন বড়ো হয়েছেন। অবুঝ বয়সে মাকে হারিয়েছেন। পড়াশুনা করেছেন মাদ্রাসায়। মাদ্রাসায় পড়া একটা স্টুডেন্টকে সমাজ তাচ্ছিল‍্য করে দেখে। আখতার হোছাইনের বেলায়ও সেটা কম হয়নি।

কিন্তু আখতার হোছাইনের রক্তে ছিলো অপ্রতিরোধ‍্যতার বীজ। তাকে তো থামানো যায় না। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ে ভর্তি হলেন বায়োকেমেস্ট্রিতে। সাড়া জাগানো ফলাফল করলেন। জাপান সরকারের বৃত্তি পেলেন। তারপর আরো গবেষণা করলেন ফ্রান্সে।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার হাওয়ার্ড ফ্লোরি ইন্সটিটিউটে এসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কাজ করছেন। গবেষণা গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দুনিয়াতে বহু মেধাবী তরুণ পাওয়া যায়, কিন্তু মেধার চেয়ে সাহস বড়ো না হলে জীবন যুদ্ধে জয় পাওয়া সহজ হয় না। আখতার হোছাইনের ছিলো জীবনজয় ও জন্মজয়ের সাহস। এমন জন্মজয়ী মানুষটি, আমার লেখা “একটা দেশ যেভাবে দাঁড়ায়” বইয়ের পাণ্ডুলিপি পড়েছেন। জানিয়েছেন তাঁর মতামত।

তাঁর মন্তব‍্য—“লেখক প্রবাসে থাকেন। কিন্তু তাঁর হৃদয় পড়ে থাকে বাংলাদেশে। লেখাগুলোতে সেটারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তিনি তরুণদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তাঁর সুলিখিত এই বই, বাংলাদেশের লাখো তরুণকে স্বপ্নজয়ের পথে শক্তি যোগাবে। দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নের জন‍্য নাড়া দিবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *