কাতারে বাংলাদেশি পরিবারের মানবেতর জীবন

আসান উল্যাহ: পাসপোর্ট ফেরত দিতে বাংলাদেশের আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও তিন বছরেও ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন কাতার প্রবাসী এক পরিবার। পাসপোর্ট ছাড়া মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে পাসপোর্ট আটকে রেখেছে কাতার দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় আদালত অবমাননা হয়েছে বলে মনে করেন তার আইনজীবী। কাতার দূতাবাস বলছে, ভুক্তভোগীর অভিযোগ ভিত্তিহীন।

২২ বছর ধরে কাতারে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন ফেনীর মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তি। থাকেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে। তার দাবি, ২০০ জন প্রবাসী তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। অথচ ব্যবসায়িক অংশীদারদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রায় তিন বছর ধরে পাসপোর্টবিহীন তার পরিবার। এক্ষেত্রে দূতাবাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী জানান, কাতার দূতাবাসের আমাদের হয়রানি করছে। মোহাম্মদ আলী বলেন, তারা (দূতাবাস) আমার কাছে ১০টি ভিসা চেয়েছে, না দেওয়ায় আমার স্ত্রী ও শিশুদের পাসপোর্ট বাতিল করেছে।

ছেলের এমন দুরবস্থা দেখে বাংলাদেশের উচ্চ আদালতে পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে মোহাম্মদ আলীর বাবা রিট দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বর পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার আদেশ দেন উচ্চ আদালত। যে আদেশ আপিল বিভাগেও বহাল থাকে। তারপরও পাসপোর্ট বুঝে পাননি তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *