রূপসায় লকডাউনে বিকল্প ঘাট বানিয়ে যাত্রী পারাপার

নাহিদ জামান, খুলনা প্রতিনিধিঃ রূপসা ঘাটে প্রতিদিন লক্ষাধিকের বেশি মানুষ প্রয়োজনে নদী পার হয়ে খুলনা শহরে প্রবেশ করে। এই নদী দিয়ে ব্যাবসায়ীগন, চাকুরিজীবি, শ্রমিক, রোগী যাতায়েত করে। কোভিট-১৯ এর জন্য লকডাউনের কারনে শুধু মাত্র জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রূপসা ঘাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঘাটের প্রবেশদারে বেঞ্চ ফেলে বাঁশ বেধে লক ডাউন করা হয়। যাহাতে মানুষ যাতায়েত করতে না পারে। আজ লক ডাউনের সপ্তম দিনে রূপসা ঘাটে গিয়ে ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে। রোগী ছাড়া ও সাধারন মানুষের নদী পারাপারের জন্য তৈরি হয়েছে বিকল্প পথে নদী পারাপারের জন্য ঘাট। সেখানে নদী পারাপারের জন্য মানুষ লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থেকে নদী পার হচ্ছে। লাইনে থাকা মানুষের নেই কোন সামাজিক দুরত্ব রোদের মধ্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকছে মানুষ একেক লাইনে হাজারের ও বেশি মানুষের লম্বা লাইন। নদী পারাপার সাধারনত অন্য সময় তিন টাকা নেওয়া হতো কিন্তু এখন নদী পার হতে লোক প্রতি দশ টাকা নেওয়া হচ্ছে। মাঝিদের সাথে কথা হলে তারা জানান আমরা দশ জনের বেশী লোক নিচ্ছি না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় কোন টলারে বিশ জনের কম লোক নিচ্ছে না। দশ জনের অনুমতি কে দিয়েছে জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দিতে পারে নাই। সাধারন লোকজন বলেন আমরা জরুরি প্রয়োজনে শহরে প্রবেশ করছি ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকেও জন প্রতি আমাদের দশ টাকা ট্রলার ভাড়া দিতে হচ্ছে। নদী পারাপারে পুর্বের ঘাটে আইন শৃংখলা বাহীনি পুলিশ কে দেখা গেলেও বিকল্প ঘাটে কোন পুলিশ দেখা যাইনি। এলাকার সচেতন মানুষের দাবি কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পেতে হলে একমাত্র রোগী ছাড়া সকল মানুষের যাতায়েত বন্ধ করা জরুরি। ঘাটের সামনে বাস স্টান্ডে গেলে কোন বাস চলাচল করতে দেখা যায়নি। মাহেন্দ্র চলেছে সীমিত আকারে। মাহেন্দ্রে নয়টি ছিট থাকলেও পাঁচ থেকে ছয় জন হলেই ছেড়ে যেতে দেখা যায়। ভ্যানে করে মানুষের যাতায়েত চোখে পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *