কুড়িগ্রামে সেফটি ট্যাংকের বিষক্রিয়ায় একজন নিহত

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার গোডাউন কামারপাড়া এলাকায় এক বাড়িতে নতুন সেফটি ট্যাংকের সাটার খোলার পর বিষক্রিয়ায় রতন (৩২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা ওই শ্রমিককে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারি পরিচালক মনোরঞ্জন সরকার জানান, কামারপাড়া গ্রামের পশু চিকিৎসক ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে মামুনের বাড়ীতে নতুন সেফটি ট্যাংকের সাটার খুলে নিচে নামতে গিয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শ্রমিক রতন ঢলিয়ে পরে। তাকে রশি দিয়ে টেনে তোলার পর কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় কর্তব্যরত চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, রতন সেফটি ট্যাংকের ভিতরেই বিষক্রিয়ায় মারা গেছে।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজ ছাত্রীকে কুপিয়ে জখমসহ একেই পরিবারের ৩ জনকে পিটিয়ে ও জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মৌজা শাখাতী মদাতী ইউনিয়নের বাবুরডাংগায় এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আহত কলেজ ছাত্রী মায়া বেগম জানান, কিছুদিন ধরে তার পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার আব্দুর সাত্তার, ও সাদিকুল ইসলামের সাথে জমা জমি নিয়ে বিভিন্ন বিষয়াদি বিরোধে চলছিলো। এর জের ধরে সোমবার দুপুরে উল্লেখিত ব্যক্তিরা আরো লোকজনসহ দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে।

এসময় আমি ও আমার মা ছোট বোন বাঁধা দিলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের কে পিটিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। মায়া বেগম আরো জানায় এসময় আমার বাবা আমাদের বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে জখম করেন।

কলেজ ছাত্রী মায়া বেগমের বাবা আব্দুল জলিল জানান, হামলাকারীরা আমার জমিতে সুপারির গাছ,কলা গাছ ও বসত বাড়ীর ঘরের টিনের বেড়া ভাংচুর করিয়া ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি করে, এবং মেয়েদেরকে শ্লীলতাহানি ঘটায়, ও আমার মেয়ের গলায় থাকা ৩৫ হাজার টাকা দামের একটি স্বর্ণালঙ্কার চেন জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়।

এ ঘটনায় আহত আব্দুল জলিল বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কালীগঞ্জ থানার ওসি আরজু মোহাম্মদ সাজ্জাদ বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সত্যতা যাচাই-বাছাই করতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *