মহেশপুরে আনোয়ারা বেগমের হাটঃ সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ডাকাতিয়া গ্রামে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট, গুড়দাহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাট ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে।। এভাবেই একটি অবৈধ হাটের কারনে মহেশপুরের দেড়কোটি টাকা মুল্যের ৩টি হাট একেবারেই ধ্বংসের মুখে।
এলাকাবাসী জানান, ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে আনোয়ারা বেগম নামের এক নারী নিজ জমিতে সাধারণ হাট বসিয়েছেন। সপ্তাহে দু’দিন রোববার ও বৃহস্পতিবার চলে ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে আনোয়ারা বেগমের অবৈধ হাট। নিজে বা অন্যদের দিয়ে হাট থেকে দোকান প্রতি ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা হারে খাজনা আদায় করা হয়ে থাকে।
পশেই রয়েছে সরকারের ইজারাভুক্ত পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট। একই দিন দু’টি হাট হওয়ার কারণে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট ধ্বংস হতে চলেছে। এ ভাবেই উক্ত অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে ধ্বংস হতে পারে,গুড়দহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাট। ফলে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে সরকারের কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হতে চলেছে।
পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাট মালিক শওকত আকবর জানান, ডাকাতিয়া গ্রামে মধ্যে একটি অবৈধ সাধারণ হাটের কারনে পদ্মপুকুর মোড়ের সাধারণ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা একেবারেই কমে গেছে। একই দিন দু’টি পাশা পাশি হাট হওয়ার কারনেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
গুড়দাহ সাধারণ হাট ও তালসার সাধারণ হাটের মালিকরা জানান, ডাকাতিয়া গ্রামের অবৈধ হাট বন্ধ করতে না পারলে আমরাও ক্ষতিগ্রস্থ হবো।
শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমানউল্লা হক জানান, আমি এখনো পর্যন্ত ঐ হাটে জায়নি। তবে শুনেছি ডাকাতিয়া গ্রামের মধ্যে একটি সাধারণ হাট বসানো হয়েছে। হাটটি থাকলে সরকারের কয়েকটি হাট ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাশ্বতী শীল জানান, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হাট বসিয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *