কুড়িগ্রামের প্রশাসনের তদারকিতে ও কেজি দরে তরমুজ বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না

পাভেল মিয়া, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের প্রশাসনের নিয়মিত তদারিকেও কেজি দরে তরমুজ বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। ফলে সাধারণ ক্রেতারা তরমুজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, যা একটি তরমুজের ওজন ৪-৫ কেজি। মুল্য হিসাবে আসছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।

কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারে তরমুজ কিনতে আসা ক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, কিছুদিন আগে খবরে দেখলাম কয়েকটি জায়গায় তরমুজ কেজি দরে বিক্রি করার কারনে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। তারপর থেকে অনেক জায়গায় পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ।কিন্তু আমি পিস হিসেবে তরমুজ কিনতে পারছি না, তারা কেজি ৫৫ টাকা করে চাচ্ছে।

জেলার জিয়া বাজারের খুচরা ফল ব্যবসায়ী রওশদ আলী বলেন, আমি পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬০ মণ তরমুজ কিনছি, মণ হিসেবে আমাকে ১৮০০ করে কিনতে হয়েছে। আমি যদি এখন পিস হিসেবে বিক্রি করি, তাহলে আমার লাভ হবে কেমন করে।

জেলার পৌর বাজারের পাইকারী তরমুজ ব্যবসায়ী মোঃ ইসাহার আলী জানান, ৩৫ হাজার তরমুজ পিস হিসেবে কিনেছি। আমার খরচ পড়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এছাড়াও পরিবহন, শ্রমিক,টোল এসব খরচ তো আছেই, এ বাদে অনেক তরমুজ নষ্ট হয়ে পড়ে যায়, ব্যবসার ক্ষতি করে আমরা কিভাবে পিস হিসেবে বিক্রি করবো। তারপরও সবাই যদি পিস হিসেবে বিক্রি করে তাহলে তখন আমরাও পিস হিসেবে বিক্রি করবো।

ছোট ও মাঝারি তরমুজ গুলো প্রতি পিস ৪০ থেকে ৭০ ও বড় পিস ১০০ থেকে ১২০টাকা বিক্রি করলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতা উভয় পক্ষই লাভবান হতে পারে বলে মত ভোক্তাদের।

পরিবহন ও শ্রমিক খরচের নামে মৌসুমী এই ফলটির কেজিদরে বিক্রির সিন্ডিকেট বন্ধ করার জন্য কুড়িগ্রামের প্রশাসনকে আরো কঠোর হস্তক্ষেপে কামনা করছেন অনেক ক্রেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *