করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরাইলের ধুরন্তী হাওর ফাঁকা

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে মানুষের মনে সেই আনন্দ আর নেই। শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে সরকারি নির্দেশনা ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেছে মানুষ।

সকালে কিছু কিছু জায়গায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি থাকলেও বেলা বারার সাথে সাথে বৃষ্টি আর দেখা যায় নি।
ঈদের নামাজ আদায় শেষে মানুষ খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ করে ঘুরতে যাওয়ার পালা। কিন্তু সরাইলে তেমন কোন দর্শনীয় স্থান না থাকলেও দুই একটা যায়গায় অন্তত যাওয়া চাই। আর সেই দর্শনীয় জায়গার একটি হলো সরাইলের মিনি কক্সবাজার খ্যাত ধুরন্তী হাওর। কিন্তু বেরসিক পুলিশ দুপুর থেকেই ধুরন্তী যাওয়ার পথে আটকে দেয়। কারণ করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এই নিষেধাজ্ঞা। কোন ভাবেই লোকজনকে জরো হতে দেয়নি তারা।
সরাইল -নাসিরনগর লাখাই আঞ্চলিক সড়কের হাওর বেষ্টিত এলাকা ‘ধুরন্তী’ যা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে মিনি কক্সবাজার নামে খ্যাত। অনেক দুর দরান্ত থেকে লোকজন ঘুড়তে আসে এখানে। যদিও হাওর এলাকায় এখনো পানি আসেনি, চারদিকে শুকনো। তবুও মানুষ বেড়ানোর জন্য দুর দরান্ত থেকে ছুটে আসে। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সরাইলের ধুরন্তী হাওর ফাঁকা।

বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ধুরন্তী এলাকার প্রবেশ মুখে পুলিশ বেরিকেড দিয়ে লোকজনকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এসময় পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদী, ভৈরব,কিশোরগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার লোকজনকে ফিরে যেতে দেখা যায়। তারা সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল নিয়ে এখানে আসে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু তাদের এখান থেকে ফিরিয়ে দেয় পুলিশ।

সরাইল থানা পুলিশ জানায়, করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে তারা লোকজনকে ধুরন্তী এলাকায় জরো হতে বা ঘুরাঘুরি করতে দেয়নি। তাদেরকে প্রবেশ মুখ থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। জুরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোন যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়নি পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *