স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাল সিল সহ র‍্যাব-৫ এর জালে আটক প্রতারক শামিম

রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘা উপজেলা ধীন কিশোরপুর বিলপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে
শামিম ওসমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাল সিল সহ র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছে বলে জানাগেছে।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ রাজশাহী সিপিএসসি মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল বুধবার (১৯ মে) রাত ৯ টার সময় পুঠিয়া থানাধীন বানেশ্বর এলাকা হতে
চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারনাকারী সংঘবন্ধ চক্রের মূল হোতা এবং বিকাশ,ইমো হ্যাকার শামীম ওসমান কে আটক করে। পুঠিয়া থানায় উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে মামলার রুজু করা হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, শামিম নিজেকে দীর্ঘদিন থেকে দূর্নীতি, মাদক ও ইফটিজিং প্রতিরোধ কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বলে দাবি করে আসছে । তা ছাড়াও নিজেকে
প্রশাসনের লোক পরিচয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোন করে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে ও এলাকায়
সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে তার সু-সম্পর্ক ও যোগাযোগ রয়েছে বলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা চালায়। তাকে অত্র এলাকার অধিকাংশ মানুষ ৯৯৯ শামিম নামে চেনে । অন্যের জমি দখল, বাগান দখল, মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে সুবিধা নেওয়া,
চাকরি দেবার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত অসংখ্য মৌখিক অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে।বিভিন্ন সময় নানা কৌশলে মানুষের সাথে কথা বলে, এবং তা রেকর্ড করে পরে ভয়-ভীতি দেখানো সহ একপ্রকার জিম্মি করে শামিম। স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসন তার কথামত কাজ না করলেই বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানী করার লক্ষে নামে-বে নামে অভিযোগ লিখে পাঠাতো।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী মামুন হোসেন জানান , শামীম ওসমান নিজের গর্তে নিজেই পড়েছে।সে আমাকে ও এলাকার মানুষদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে।শামীম ওসমানের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাল ছিল আছে।সে ঐ ছিল দিয়ে এলাকার মানুষের কম্পিউটারে নাম লিখে সীল মেরে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে আমাদের হয়রানি সহ জমি-আমবাগান দখল,চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়। তার উচিৎ সাজা হওয়া দরকার।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাদের মোল্লা জানান, শামিম খুব খারাপ একটা ছেলে। সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে মানুষকে হয়রানি করে। তার অপরাধের শেষ নেই। শামিমের আচরনে এলাকায়বাসী অতিষ্ঠ।

পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ জানান, শামিম স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে মাঝে মধ্যে নানা তদবির নিয়ে আসতো। এ ক্ষেত্রে তার তদবির না শুনা হলে সে বিভিন্ন দপ্তরে মানুষকে হয়রানী করার লক্ষে নামে-বে নামে অভিযোগ লিখে পাঠাতো।তার নামে অসংখ্য মৌখিক অভিযোগ আসে।

পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী জানান, শামিম ওসমান এর বাড়ী বাঘার সীমান্ত এলাকার কিশোরপুর বিলপাড়া গ্রামে। এলাকাবাসীরা তাকে (৯৯৯) শামিম নামে চেনে। তার নামে র‍্যাব-৫ মামলা রুজু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *