রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অব্যাহত ধারায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)।
(৭ই জানুয়ারি) বুধবার মারিশ্যা জোন কর্তৃক পরিচালিত কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল মাঠে ১৪০ জন শীতার্ত, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে এই শীতকালীন কম্বল বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মারিশ্যা জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি, এডি।
বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি বলেন, “পাহাড়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিজিবি কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, বরং পাহাড়ি ও বাঙালি সকল জনগোষ্ঠীর আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিজিবির এই জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহা, মেডিকেল অফিসার, বিজিবি সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অব্যাহত ধারায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি)।
(৭ই জানুয়ারি) বুধবার মারিশ্যা জোন কর্তৃক পরিচালিত কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল মাঠে ১৪০ জন শীতার্ত, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে এই শীতকালীন কম্বল বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মারিশ্যা জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি, এডি।
বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি বলেন, “পাহাড়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিজিবি কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, বরং পাহাড়ি ও বাঙালি সকল জনগোষ্ঠীর আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিজিবির এই জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহা, মেডিকেল অফিসার, বিজিবি সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন