বাগেরহাটের মোংলার দিগরাজ এলাকায় রেললাইনে কাটা পড়ে নয়মী বিশ্বাস (২৫) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১'টার দিকে উপজেলার দিগরাজ এলাকার বিদ্যারবাহন রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নয়মী বিশ্বাস মোংলা পৌর শহরের রিগনপাড়া এলাকার দিনেশ বিশ্বাসের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ‘মোংলা কমিউটার’ ট্রেনটি মোংলা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনটি দিগরাজের বিদ্যারবাহন এলাকা অতিক্রম করার সময় নয়মী বিশ্বাস তাতে কাটা পড়েন। এতে তার শরীর খণ্ডিত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে মোংলা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নুর আলম গাজী জানান, নিহত নয়মী ওই এলাকার বাসিন্দা নন, তার বাড়ি মোংলা নদীর ওপারে রিগনপাড়ায়। এমনকি বিদ্যারবাহন এলাকায় তার কোনো আত্মীয়-স্বজনও নেই। নির্জন এই এলাকায় তিনি কেন একাকী এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, ট্রেনটি যখন বিদ্যারবাহন এলাকা পার হচ্ছিল, তখনই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি তিনি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। রেলওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলার দিগরাজ এলাকায় রেললাইনে কাটা পড়ে নয়মী বিশ্বাস (২৫) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১'টার দিকে উপজেলার দিগরাজ এলাকার বিদ্যারবাহন রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নয়মী বিশ্বাস মোংলা পৌর শহরের রিগনপাড়া এলাকার দিনেশ বিশ্বাসের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ‘মোংলা কমিউটার’ ট্রেনটি মোংলা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনটি দিগরাজের বিদ্যারবাহন এলাকা অতিক্রম করার সময় নয়মী বিশ্বাস তাতে কাটা পড়েন। এতে তার শরীর খণ্ডিত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে মোংলা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নুর আলম গাজী জানান, নিহত নয়মী ওই এলাকার বাসিন্দা নন, তার বাড়ি মোংলা নদীর ওপারে রিগনপাড়ায়। এমনকি বিদ্যারবাহন এলাকায় তার কোনো আত্মীয়-স্বজনও নেই। নির্জন এই এলাকায় তিনি কেন একাকী এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, ট্রেনটি যখন বিদ্যারবাহন এলাকা পার হচ্ছিল, তখনই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি তিনি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। রেলওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন