চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য এবং দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার আদ্দিস আবাবায়, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে আবি বলেন, ইথিওপিয়া চীনকে একটি বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ ভাই এবং কৌশলগত অংশীদার হিসাবে দেখে। দুই দেশ দীর্ঘকাল ধরে, একে অপরকে সমর্থন করে আসছে। যার ফলে দু’দেশের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ইথিওপিয়া দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন ও সহায়তার প্রশংসা করে এবং চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরামের বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে চীনের প্রচেষ্টার উচ্চ প্রশংসা করে। ইথিওপিয়া ‘এক-চীননীতি’ মেনে চলে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নকে উত্সাহিত করার জন্য, চীনের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।
জবাবে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে সম্পাদিত ঐকমত্য বাস্তবায়ন, একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা, উন্নয়নকৌশলের সারিবদ্ধতা জোরদার করা, শাসনব্যবস্থায় অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান আরও গভীর করার জন্য, চীন ইথিওপিয়ার সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।
ওয়াং ই আরও বলেন, ইথিওপিয়া চীন-আফ্রিকা সহযোগিতার অগ্রভাগে রয়েছে। উভয় পক্ষেরই উচিত চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরামের বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একসাথে কাজ করা; কূটনৈতিক সম্পর্কযুক্ত সকল আফ্রিকান দেশের ওপর চীনের শূন্য-শুল্ক নীতির সুবিধাগুলো পূর্ণভাবে ব্যবহার করা; এবং চীন ও আফ্রিকার মধ্যে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।
ওয়াং ই বলেন, চীন আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক কল্যাণকর খাতে ইথিওপিয়ার সাথে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
সূত্র: রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য এবং দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার আদ্দিস আবাবায়, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে আবি বলেন, ইথিওপিয়া চীনকে একটি বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ ভাই এবং কৌশলগত অংশীদার হিসাবে দেখে। দুই দেশ দীর্ঘকাল ধরে, একে অপরকে সমর্থন করে আসছে। যার ফলে দু’দেশের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ইথিওপিয়া দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন ও সহায়তার প্রশংসা করে এবং চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরামের বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে চীনের প্রচেষ্টার উচ্চ প্রশংসা করে। ইথিওপিয়া ‘এক-চীননীতি’ মেনে চলে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নকে উত্সাহিত করার জন্য, চীনের সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।
জবাবে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে সম্পাদিত ঐকমত্য বাস্তবায়ন, একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা, উন্নয়নকৌশলের সারিবদ্ধতা জোরদার করা, শাসনব্যবস্থায় অভিজ্ঞতার আদান-প্রদান আরও গভীর করার জন্য, চীন ইথিওপিয়ার সাথে কাজ করতে ইচ্ছুক।
ওয়াং ই আরও বলেন, ইথিওপিয়া চীন-আফ্রিকা সহযোগিতার অগ্রভাগে রয়েছে। উভয় পক্ষেরই উচিত চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরামের বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একসাথে কাজ করা; কূটনৈতিক সম্পর্কযুক্ত সকল আফ্রিকান দেশের ওপর চীনের শূন্য-শুল্ক নীতির সুবিধাগুলো পূর্ণভাবে ব্যবহার করা; এবং চীন ও আফ্রিকার মধ্যে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।
ওয়াং ই বলেন, চীন আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক কল্যাণকর খাতে ইথিওপিয়ার সাথে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
সূত্র: রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন