ঢাকা   রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা ও ফসলহানির প্রতিবাদে বাজিতপুরে মানববন্ধন



খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা ও ফসলহানির প্রতিবাদে বাজিতপুরে মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের মইতপুর মৌজায় শতবর্ষী একটি সরকারি খাল ভরাট করে ব্যক্তি স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় কৃষক ও গ্রামবাসী।

মঙ্গলবার সকালে মইতপুর খালের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে খাল ভরাটের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও ফসল চাষাবাদে চরম বিঘ্নের প্রতিবাদ জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষকরা অভিযোগ করেন, সরকারি খাল দখল করে কোথাও মাছ চাষ, কোথাও আবার বাঁধ দিয়ে পুকুর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

 এর ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই ফসলি জমিতে পানি জমে থাকছে, যা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, জলাবদ্ধতার কারণে তারা ধান, পাট, পেঁয়াজসহ মৌসুমি বিভিন্ন ফসল রোপণ করতে পারছেন না। এতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। পাশাপাশি খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষকের জমিতে যাতায়াতের পথও সংকুচিত হয়েছে। কোথাও কোথাও জমি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা কৃষি উৎপাদনের জন্য মারাত্মক হুমকি।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সরকারে এই খাল আমাদের এলাকার কৃষির প্রাণ।সরকারি খাল উদ্ধার করে জনগণের মাঝে ফিরিয়ে দিন।খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু ফসল নয়, আমাদের জীবন-জীবিকাই হুমকির মুখে পড়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা ও ফসলহানির প্রতিবাদে বাজিতপুরে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া ইউনিয়নের মইতপুর মৌজায় শতবর্ষী একটি সরকারি খাল ভরাট করে ব্যক্তি স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় কৃষক ও গ্রামবাসী।


মঙ্গলবার সকালে মইতপুর খালের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে খাল ভরাটের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও ফসল চাষাবাদে চরম বিঘ্নের প্রতিবাদ জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষকরা অভিযোগ করেন, সরকারি খাল দখল করে কোথাও মাছ চাষ, কোথাও আবার বাঁধ দিয়ে পুকুর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।


 এর ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই ফসলি জমিতে পানি জমে থাকছে, যা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, জলাবদ্ধতার কারণে তারা ধান, পাট, পেঁয়াজসহ মৌসুমি বিভিন্ন ফসল রোপণ করতে পারছেন না। এতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। পাশাপাশি খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষকের জমিতে যাতায়াতের পথও সংকুচিত হয়েছে। কোথাও কোথাও জমি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা কৃষি উৎপাদনের জন্য মারাত্মক হুমকি।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “সরকারে এই খাল আমাদের এলাকার কৃষির প্রাণ।সরকারি খাল উদ্ধার করে জনগণের মাঝে ফিরিয়ে দিন।খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু ফসল নয়, আমাদের জীবন-জীবিকাই হুমকির মুখে পড়েছে।”


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত