ঢাকা   রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

রাজশাহীর মোহনপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন



রাজশাহীর মোহনপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন

রাজশাহীর মোহনপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। 

সম্প্রতি উপজেলার কেশরহাট পৌর বাজারে গর্ভবতী গাভী এবং অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগের উঠিছে।


এর প্রতিবাদে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেশরহাট যাত্রী ছাউনির সামনে বন্ধু মহল ট্রাস্ট ও কেশরহাটের সচেতন নাগরিকদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা গর্ভবতী গরু হত্যা ও রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বিক্রির মতো অমানবিক ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। বক্তারা বলেন, এ ধরনের অপরাধ কেশরহাট বাজারের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করছে।

সাম্প্রতিক এক ঘটনায় স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। এলাকাবাসীর তথ্যমতে, গত ১৩ জানুয়ারি সকালে কেশরহাট বাজারসংলগ্ন ভাগাড়ে একটি মৃত গরুর বাছুরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের পর বাছুরটি সেখানে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, বাছুরটির লাশটি প্রায় এক সপ্তাহ পুরনো ছিল।


অভিযোগ রয়েছে, কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়াই এসব গরু জবাই করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাতের আঁধারে গোপনে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যার সঙ্গে বাজার এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তি জড়িত।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রোগাক্রান্ত গরুর মাংস স্থানীয় বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হচ্ছে এবং কালাভুনা, মাংসের ঝোলসহ বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ অজান্তেই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিষাক্ত খাবার গ্রহণ করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, জবাইয়ের আগে বাধ্যতামূলক ভেটেরিনারি পরীক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং প্রতারণা ও জালিয়াতি বন্ধে কঠোর নজরদারির দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বন্ধু মহল ট্রাস্টের সভাপতি বাচ্চু রহমানের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওসমান আলী, সম্রাট, শাহিন, সুইট, মিনহাজ, হালিম, খালেকসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিকরা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


রাজশাহীর মোহনপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর মোহনপুরে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। 


সম্প্রতি উপজেলার কেশরহাট পৌর বাজারে গর্ভবতী গাভী এবং অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগের উঠিছে।


এর প্রতিবাদে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেশরহাট যাত্রী ছাউনির সামনে বন্ধু মহল ট্রাস্ট ও কেশরহাটের সচেতন নাগরিকদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা গর্ভবতী গরু হত্যা ও রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বিক্রির মতো অমানবিক ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। বক্তারা বলেন, এ ধরনের অপরাধ কেশরহাট বাজারের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করছে।


সাম্প্রতিক এক ঘটনায় স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। এলাকাবাসীর তথ্যমতে, গত ১৩ জানুয়ারি সকালে কেশরহাট বাজারসংলগ্ন ভাগাড়ে একটি মৃত গরুর বাছুরের লাশ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ভবতী গাভী জবাইয়ের পর বাছুরটি সেখানে ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, বাছুরটির লাশটি প্রায় এক সপ্তাহ পুরনো ছিল।


অভিযোগ রয়েছে, কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা প্রাণিসম্পদ বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়াই এসব গরু জবাই করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাতের আঁধারে গোপনে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যার সঙ্গে বাজার এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তি জড়িত।


মানববন্ধনে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রোগাক্রান্ত গরুর মাংস স্থানীয় বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি করা হচ্ছে এবং কালাভুনা, মাংসের ঝোলসহ বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ অজান্তেই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিষাক্ত খাবার গ্রহণ করছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।


মানববন্ধন থেকে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, জবাইয়ের আগে বাধ্যতামূলক ভেটেরিনারি পরীক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং প্রতারণা ও জালিয়াতি বন্ধে কঠোর নজরদারির দাবি জানানো হয়।


মানববন্ধনে বন্ধু মহল ট্রাস্টের সভাপতি বাচ্চু রহমানের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওসমান আলী, সম্রাট, শাহিন, সুইট, মিনহাজ, হালিম, খালেকসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিকরা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত