ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বহুল আলোচিত কাশিপুর বেদে পল্লীর দীর্ঘদিনের দুই গ্রæপের বিরোধের অবসান হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ঘরছাড়া থাকা ৪০টি বেদে পরিবার নিজ নিজ ঘরে ফিরে এসেছে।
মীমাংসা প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বেদে পল্লীর বয়স্ক ব্যক্তিবর্গ, সাবেক ইউপি সদস্য লালটু মিয়া এবং বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় মনিরুল গ্রæপের শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু তাদের বসতঘরে ফিরলে পুরো পল্লীতে স্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে বেদে পল্লীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাসেল গ্রæপ ও মনিরুল গ্রæপের মধ্যে দফায় দফায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রাজনৈতিক প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দ্ব›দ্ব আরও জটিল আকার ধারণ করে। ফলে দুই পক্ষের অনেক পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে ভয়ে নিজ ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়।
রবিবারের বৈঠকে উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অঙ্গীকার করে। বৈঠকে রাসেল ও মনিরুল প্রকাশ্যে প্রতিজ্ঞা করেন, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মারামারি বা সংঘাতে জড়াবেন না এবং পূর্বের সংঘর্ষ সংক্রান্ত বিদ্যমান মামলাগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবেন।
মনিরুল গ্রæপের মনিরুল বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পেরেছি। এই শান্তি যেন স্থায়ী হয়, সেজন্য আমরা সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাসেল গ্রæপের রাসেল বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা আর কোনো সংঘাতে জড়াতে চাই না। সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই।
সাবেক ইউপি সদস্য লালটু মিয়া বলেন, বেদে পল্লীর মানুষ দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। আজ তাদের ঘরে ফেরা আমাদের সবার জন্য আনন্দের।
সবাই যদি কথা রাখে, তাহলে এই শান্তি টেকসই হবে। দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসানে কাশিপুর বেদে পল্লীতে এখন স্বস্তি ও শান্তির সু-বাতাস বইছে বলে জানান স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বহুল আলোচিত কাশিপুর বেদে পল্লীর দীর্ঘদিনের দুই গ্রæপের বিরোধের অবসান হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ঘরছাড়া থাকা ৪০টি বেদে পরিবার নিজ নিজ ঘরে ফিরে এসেছে।
মীমাংসা প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বেদে পল্লীর বয়স্ক ব্যক্তিবর্গ, সাবেক ইউপি সদস্য লালটু মিয়া এবং বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় মনিরুল গ্রæপের শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু তাদের বসতঘরে ফিরলে পুরো পল্লীতে স্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে বেদে পল্লীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাসেল গ্রæপ ও মনিরুল গ্রæপের মধ্যে দফায় দফায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রাজনৈতিক প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দ্ব›দ্ব আরও জটিল আকার ধারণ করে। ফলে দুই পক্ষের অনেক পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে ভয়ে নিজ ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়।
রবিবারের বৈঠকে উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অঙ্গীকার করে। বৈঠকে রাসেল ও মনিরুল প্রকাশ্যে প্রতিজ্ঞা করেন, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মারামারি বা সংঘাতে জড়াবেন না এবং পূর্বের সংঘর্ষ সংক্রান্ত বিদ্যমান মামলাগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবেন।
মনিরুল গ্রæপের মনিরুল বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পেরেছি। এই শান্তি যেন স্থায়ী হয়, সেজন্য আমরা সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাসেল গ্রæপের রাসেল বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা আর কোনো সংঘাতে জড়াতে চাই না। সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই।
সাবেক ইউপি সদস্য লালটু মিয়া বলেন, বেদে পল্লীর মানুষ দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। আজ তাদের ঘরে ফেরা আমাদের সবার জন্য আনন্দের।
সবাই যদি কথা রাখে, তাহলে এই শান্তি টেকসই হবে। দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসানে কাশিপুর বেদে পল্লীতে এখন স্বস্তি ও শান্তির সু-বাতাস বইছে বলে জানান স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন