চীনের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসম্মেলন ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সিপিসি-র কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর স্থায়ী সদস্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমিটির পরিচালক তিং শুয়েই সিয়াং, সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে তিনি বলেন, চতুর্দশ পাঁচশালা পরিকল্পনা চলাকালে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে লক্ষ্যণীয় সাফল্য অর্জিত হয়। উচ্চমানের উন্নয়নে শক্তি যোগ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নবায়ন এবং চীনা বৈশিষ্ট্যের আধুনিকায়নে দিয়েছে কৌশলগত সমর্থন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্পগত রূপান্তর যত গভীরভাবে এগোয়, ততই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার কৌশলগত উচ্চভূমি দখলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকতে হবে। প্রযুক্তি খাতে কাজ যত বেশি অগ্রগতি অর্জন করে, ততই আরও সজাগ ও সচেতন মনোভাব বজায় রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নকে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি পথে এগিয়ে নিতে হবে।
তিং শুয়েই সিয়াং জোর দিয়ে বলেন, সিপিসি-র ২০তম জাতীয় কংগ্রেসের চতুর্থ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’ সময়কালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরশীলতা ও স্বনির্ভর শক্তির উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌলিক গবেষণা জোরদার করতে হবে। জাতীয় কৌশলগত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শক্তিকে শক্তিশালীভাবে গড়ে তোলা ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা গভীর করতে হবে, এবং জাতীয় উদ্ভাবন ব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শিল্প উদ্ভাবনের গভীর সংমিশ্রণ ত্বরান্বিত করতে হবে; নবায়নে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ভূমিকা জোরদার করতে হবে; বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও আর্থিক ব্যবস্থার নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে; বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে প্রতিভাবান জনশক্তির ভাণ্ডার সম্প্রসারণ করতে হবে; এবং বিজ্ঞানী ও উৎকৃষ্ট প্রকৌশলী লালনে জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে; আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্রের নির্মাণকাজ জোরদার করতে হবে এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, পারস্পরিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে, যৌথ উন্নয়ন সাধন করতে হবে।
সূত্র:শিশির-আলিম-মুক্তা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
চীনের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসম্মেলন ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সিপিসি-র কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর স্থায়ী সদস্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমিটির পরিচালক তিং শুয়েই সিয়াং, সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে তিনি বলেন, চতুর্দশ পাঁচশালা পরিকল্পনা চলাকালে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে লক্ষ্যণীয় সাফল্য অর্জিত হয়। উচ্চমানের উন্নয়নে শক্তি যোগ করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নবায়ন এবং চীনা বৈশিষ্ট্যের আধুনিকায়নে দিয়েছে কৌশলগত সমর্থন।
তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্পগত রূপান্তর যত গভীরভাবে এগোয়, ততই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার কৌশলগত উচ্চভূমি দখলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকতে হবে। প্রযুক্তি খাতে কাজ যত বেশি অগ্রগতি অর্জন করে, ততই আরও সজাগ ও সচেতন মনোভাব বজায় রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নকে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি পথে এগিয়ে নিতে হবে।
তিং শুয়েই সিয়াং জোর দিয়ে বলেন, সিপিসি-র ২০তম জাতীয় কংগ্রেসের চতুর্থ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’ সময়কালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরশীলতা ও স্বনির্ভর শক্তির উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌলিক গবেষণা জোরদার করতে হবে। জাতীয় কৌশলগত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শক্তিকে শক্তিশালীভাবে গড়ে তোলা ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা গভীর করতে হবে, এবং জাতীয় উদ্ভাবন ব্যবস্থার সামগ্রিক কার্যকারিতা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শিল্প উদ্ভাবনের গভীর সংমিশ্রণ ত্বরান্বিত করতে হবে; নবায়নে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ভূমিকা জোরদার করতে হবে; বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও আর্থিক ব্যবস্থার নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে; বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে প্রতিভাবান জনশক্তির ভাণ্ডার সম্প্রসারণ করতে হবে; এবং বিজ্ঞানী ও উৎকৃষ্ট প্রকৌশলী লালনে জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে; আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্রের নির্মাণকাজ জোরদার করতে হবে এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, পারস্পরিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে, যৌথ উন্নয়ন সাধন করতে হবে।
সূত্র:শিশির-আলিম-মুক্তা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন