ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা



ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে  ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা
নীলফামারী প্রতিনিধি নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে ডিমলা উপজেলায় কঠোর অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (৪ জানুয়ারি) ডিমলা উপজেলার নটাবাড়ী এলাকায় নাউতারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ বিনষ্ট করে বালু উত্তোলনের দায়ে একজন বালু ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন— গোলাম রাব্বানী, নটাবাড়ী এলাকার রোস্তম আলী ছেলে। তাকে জলমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর আওতায় এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইমরানুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রওশন কবির। অভিযানে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও গ্রাম পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নদী দখল ও অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসন ডিমলা জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অপরাধে ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
নীলফামারী প্রতিনিধি নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে ডিমলা উপজেলায় কঠোর অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (৪ জানুয়ারি) ডিমলা উপজেলার নটাবাড়ী এলাকায় নাউতারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ বিনষ্ট করে বালু উত্তোলনের দায়ে একজন বালু ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন— গোলাম রাব্বানী, নটাবাড়ী এলাকার রোস্তম আলী ছেলে। তাকে জলমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর আওতায় এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইমরানুজ্জামান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রওশন কবির। অভিযানে ডিমলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও গ্রাম পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নদী দখল ও অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রশাসন ডিমলা জানিয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত