নওগাঁর মান্দা থানা এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়া কৃষিযন্ত্র চুরির রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা চোর চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি পাওয়ার টিলার (ট্রাক্টর) এবং চুরি কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ।
বিগত কিছুদিন ধরে মান্দা থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি পাওয়ার টিলার চুরির অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টি আমলে নিয়ে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে মোঃ ফারুক হোসেন (৪৫) (পিতা: মৃত মফিজ উদ্দিন) নামক এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাদেবপুর থানার শালবাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে মোঃ মিলন হোসেন (৫০) (পিতা: মৃত আবুল বক্কর সিদ্দিক) নামক চোর চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে প্রথম চোরাই পাওয়ার টিলারটি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ১৭ ফেব্রুয়ারি সারাদিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালায় মান্দা থানা পুলিশ। এই অভিযানে আরও ৩টি চোরাই পাওয়ার টিলার। চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি মিনি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পাওয়ার টিলার ফিরে পেয়ে অভিযোগকারী রহিদুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম বিশ্বাস পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কৃষিপ্রধান মান্দা এলাকার সাধারণ কৃষকরা জানান, এই উদ্ধার অভিযানের ফলে তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় গ্রামবাসী নওগাঁ জেলা পুলিশের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা সুষ্ঠু রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। অপরাধীদের দমনে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করবো, যেকোনো অপরাধের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করুন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নওগাঁর মান্দা থানা এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়া কৃষিযন্ত্র চুরির রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা চোর চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি পাওয়ার টিলার (ট্রাক্টর) এবং চুরি কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ।
বিগত কিছুদিন ধরে মান্দা থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি পাওয়ার টিলার চুরির অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টি আমলে নিয়ে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে মোঃ ফারুক হোসেন (৪৫) (পিতা: মৃত মফিজ উদ্দিন) নামক এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহাদেবপুর থানার শালবাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে মোঃ মিলন হোসেন (৫০) (পিতা: মৃত আবুল বক্কর সিদ্দিক) নামক চোর চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে প্রথম চোরাই পাওয়ার টিলারটি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ১৭ ফেব্রুয়ারি সারাদিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালায় মান্দা থানা পুলিশ। এই অভিযানে আরও ৩টি চোরাই পাওয়ার টিলার। চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি মিনি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পাওয়ার টিলার ফিরে পেয়ে অভিযোগকারী রহিদুল ইসলাম ও জয়নুল ইসলাম বিশ্বাস পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কৃষিপ্রধান মান্দা এলাকার সাধারণ কৃষকরা জানান, এই উদ্ধার অভিযানের ফলে তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় গ্রামবাসী নওগাঁ জেলা পুলিশের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা সুষ্ঠু রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। অপরাধীদের দমনে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করবো, যেকোনো অপরাধের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করুন।

আপনার মতামত লিখুন