শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূলের লক্ষ্যে রোগী শনাক্তকরণ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম এবং সহকারী পরিচালক ফারুক আল ফয়সাল।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহায়তায় এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ‘ফিস্টুলামুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ১৫ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম ঝিনাইগাতী উপজেলায় পরিচালিত হবে।
সভায় জানানো হয়, প্রসবজনিত ফিস্টুলা একটি গুরুতর ও মর্মান্তিক নারীস্বাস্থ্য সমস্যা। দেশে বহু নারী দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম প্রসবজনিত ফিস্টুলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে উপযুক্ত বিরতি বজায় রাখা এ রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
ক্যাম্পেইন চলাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবং কমিউনিটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। সন্দেহভাজন রোগীদের শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হবে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টার-এ রেফার করা হবে। সেখানে যাতায়াত ব্যয়সহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। চিকিৎসা শেষে দরিদ্র রোগীদের পুনর্বাসন সহায়তাও দেওয়া হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ-এর জেলা সমন্বয়কারী শারমিনা পারভীন। এছাড়া জেলার এসআরএইচআর সমন্বয়কারী, এমওএমসিএইচ (এফপি), ইপিআই, এফডব্লিউভি, এফডব্লিউএসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, রোগীর তথ্যদাতাকে সম্মানী হিসেবে নগদ এক হাজার টাকা প্রদান করা হবে। বিনামূল্যে সেবা পেতে ০১৩১৫৫৬৯৮২২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রসবজনিত ফিস্টুলার প্রধান লক্ষণ হলো—প্রসবের পথ দিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রস্রাব বা পায়খানা, অথবা উভয়ই নির্গত হওয়া। সাধারণত বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত প্রসবের পর কিংবা তলপেট বা জরায়ুর অস্ত্রোপচারের জটিলতায় এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূলের লক্ষ্যে রোগী শনাক্তকরণ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম এবং সহকারী পরিচালক ফারুক আল ফয়সাল।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) ও সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ-এর কারিগরি সহায়তায় এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। ‘ফিস্টুলামুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ১৫ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম ঝিনাইগাতী উপজেলায় পরিচালিত হবে।
সভায় জানানো হয়, প্রসবজনিত ফিস্টুলা একটি গুরুতর ও মর্মান্তিক নারীস্বাস্থ্য সমস্যা। দেশে বহু নারী দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন। পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম প্রসবজনিত ফিস্টুলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে উপযুক্ত বিরতি বজায় রাখা এ রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
ক্যাম্পেইন চলাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবং কমিউনিটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগীদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। সন্দেহভাজন রোগীদের শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হবে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল ফিস্টুলা সেন্টার-এ রেফার করা হবে। সেখানে যাতায়াত ব্যয়সহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। চিকিৎসা শেষে দরিদ্র রোগীদের পুনর্বাসন সহায়তাও দেওয়া হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ-এর জেলা সমন্বয়কারী শারমিনা পারভীন। এছাড়া জেলার এসআরএইচআর সমন্বয়কারী, এমওএমসিএইচ (এফপি), ইপিআই, এফডব্লিউভি, এফডব্লিউএসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, রোগীর তথ্যদাতাকে সম্মানী হিসেবে নগদ এক হাজার টাকা প্রদান করা হবে। বিনামূল্যে সেবা পেতে ০১৩১৫৫৬৯৮২২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রসবজনিত ফিস্টুলার প্রধান লক্ষণ হলো—প্রসবের পথ দিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রস্রাব বা পায়খানা, অথবা উভয়ই নির্গত হওয়া। সাধারণত বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত প্রসবের পর কিংবা তলপেট বা জরায়ুর অস্ত্রোপচারের জটিলতায় এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন