ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

শ্রীবরদীতে একুশের প্রথম প্রহরে আদিবাসীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি



শ্রীবরদীতে একুশের প্রথম প্রহরে আদিবাসীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি

শেরপুর জেলার  শ্রীবরদী উপজেলায় একুশের প্রথম প্রহরে আদিবাসীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে ২নং রাণীশিমুল পাইলট ইউনিয়ন পরিষদ-এর উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ শতাধিক আদিবাসী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।


একুশের প্রথম প্রহরে টেঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হয়।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা আদিবাসী নারীদের কোলে ঘুমন্ত শিশুদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা সকল জাতিগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের শক্তিশালী বার্তাও বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


শ্রীবরদীতে একুশের প্রথম প্রহরে আদিবাসীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

শেরপুর জেলার  শ্রীবরদী উপজেলায় একুশের প্রথম প্রহরে আদিবাসীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি নিয়ে ২নং রাণীশিমুল পাইলট ইউনিয়ন পরিষদ-এর উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।


অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল হামিদ সোহাগের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ শতাধিক আদিবাসী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।


একুশের প্রথম প্রহরে টেঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হয়।


আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা আদিবাসী নারীদের কোলে ঘুমন্ত শিশুদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা সকল জাতিগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।


স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্যের শক্তিশালী বার্তাও বহন করে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত