লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিলের মাত্র ৫ টাকা কম দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের উত্তর বদরপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন (৩৫) একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত খোরশেদ আলম তার বড় ভাই।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিলের সামান্য টাকা নিয়ে শনিবার সন্ধ্যার আগে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তবে বিষয়টি তখন আর বাড়েনি। ইফতারের পর আলমগীর স্থানীয় একটি দোকানে চা পান করতে গেলে সেখানে উপস্থিত হয়ে খোরশেদ আলম তাকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ পরিবারের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যাওয়া হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আলমগীরকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স”নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “মাত্র ৫ টাকার জন্য এমন ঘটনা ঘটবে ভাবতেও পারিনি। আমার স্বামী কোনো ঝগড়ায় জড়াতে চাননি।
জানা গেছে, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে কর্মরত ছিলেন। চলতি মাসের ১ ফেব্রুয়ারি ছুটিতে দেশে ফেরেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিলের মাত্র ৫ টাকা কম দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের উত্তর বদরপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন (৩৫) একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত খোরশেদ আলম তার বড় ভাই।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিলের সামান্য টাকা নিয়ে শনিবার সন্ধ্যার আগে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তবে বিষয়টি তখন আর বাড়েনি। ইফতারের পর আলমগীর স্থানীয় একটি দোকানে চা পান করতে গেলে সেখানে উপস্থিত হয়ে খোরশেদ আলম তাকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ পরিবারের। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যাওয়া হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আলমগীরকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স”নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “মাত্র ৫ টাকার জন্য এমন ঘটনা ঘটবে ভাবতেও পারিনি। আমার স্বামী কোনো ঝগড়ায় জড়াতে চাননি।
জানা গেছে, আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে কর্মরত ছিলেন। চলতি মাসের ১ ফেব্রুয়ারি ছুটিতে দেশে ফেরেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন