শেরপুর সদর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, "বাবার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। আমরা শহীদ পরিবারের পাশেই আছি।"
রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গোপালখিলা গ্রামে জামায়াত নেতা শহীদ মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়ারত চলাকালীন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শহীদ রেজাউল করিমের ছোট নিষ্পাপ সন্তানরা যখন তাদের বাবার কবরের পাশে হাত তুলে মোনাজাত করছিল, তখন উপস্থিত কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। শিশুদের অবুঝ চোখের পানি আর আধো-আধো বুলিতে করা সেই মোনাজাত উপস্থিত সবার চোখে পানি এনে দেয়।
কবর জিয়ারত শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় এমপি রাশেদুল ইসলাম শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
এসময় জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান সহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবংশহীদ পরিবারের সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুর সদর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, "বাবার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। আমরা শহীদ পরিবারের পাশেই আছি।"
রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গোপালখিলা গ্রামে জামায়াত নেতা শহীদ মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়ারত চলাকালীন এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শহীদ রেজাউল করিমের ছোট নিষ্পাপ সন্তানরা যখন তাদের বাবার কবরের পাশে হাত তুলে মোনাজাত করছিল, তখন উপস্থিত কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। শিশুদের অবুঝ চোখের পানি আর আধো-আধো বুলিতে করা সেই মোনাজাত উপস্থিত সবার চোখে পানি এনে দেয়।
কবর জিয়ারত শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময় এমপি রাশেদুল ইসলাম শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
এসময় জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান সহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবংশহীদ পরিবারের সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন