কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মেড্ডা গ্রামে ইফতারের সময় মেয়াদোত্তীর্ণ শরবত পান করে একই পরিবারের ৬ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে তারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি (৭ রমজান) সন্ধ্যায় যৌথ পরিবারের সদস্যরা ঘরে প্রস্তুতকৃত ইফতার সামগ্রী দিয়ে ইফতার করেন।
ইফতারের প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিবারের ছয়জন সদস্যের বমি শুরু হয় এবং তাদের মধ্যে দুইজন অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনরা তাদের বরুড়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষ প্রয়োগের গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে পরিবারের আরেক সদস্য মো. আলী আকবর জানান, ইফতারে ব্যবহৃত ট্যাংকের মেয়াদোত্তীর্ণ শরবত পান করার কারণেই তারা অসুস্থ হয়েছেন; বিষ প্রয়োগের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অসুস্থরা হলেন—মো. শামীমের স্ত্রী বিউটি আক্তার (৩৫), কাউছারের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩৫), সুমনের স্ত্রী নাছরিন আক্তার (৩০), শহীদ উল্লাহর স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৩৫), শামীমের ছেলে সাইফ (৫) এবং কাউছারের মেয়ে নুসরাত (৪)।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান বলেন, “খাবারের সমস্যার কারণেই তারা অসুস্থ হয়েছেন। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে খাবারের মান ও মেয়াদ যাচাই করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মেড্ডা গ্রামে ইফতারের সময় মেয়াদোত্তীর্ণ শরবত পান করে একই পরিবারের ৬ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে তারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি (৭ রমজান) সন্ধ্যায় যৌথ পরিবারের সদস্যরা ঘরে প্রস্তুতকৃত ইফতার সামগ্রী দিয়ে ইফতার করেন।
ইফতারের প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিবারের ছয়জন সদস্যের বমি শুরু হয় এবং তাদের মধ্যে দুইজন অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনরা তাদের বরুড়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষ প্রয়োগের গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে পরিবারের আরেক সদস্য মো. আলী আকবর জানান, ইফতারে ব্যবহৃত ট্যাংকের মেয়াদোত্তীর্ণ শরবত পান করার কারণেই তারা অসুস্থ হয়েছেন; বিষ প্রয়োগের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
অসুস্থরা হলেন—মো. শামীমের স্ত্রী বিউটি আক্তার (৩৫), কাউছারের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৩৫), সুমনের স্ত্রী নাছরিন আক্তার (৩০), শহীদ উল্লাহর স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৩৫), শামীমের ছেলে সাইফ (৫) এবং কাউছারের মেয়ে নুসরাত (৪)।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান বলেন, “খাবারের সমস্যার কারণেই তারা অসুস্থ হয়েছেন। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।”
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে খাবারের মান ও মেয়াদ যাচাই করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন