ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

বই হোক জাগরণের আলো

দেশকে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্রে গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর



দেশকে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্রে গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশটিকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। বইপড়া ও গবেষণাচর্চা বাড়িয়ে জ্ঞানভিত্তিক, মেধানির্ভর রাষ্ট্র গড়াই সরকারের লক্ষ্য।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অমর একুশে বইমেলা শুধু বেচাকেনার উৎসব নয়; এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনার স্মারক এবং জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তবে মেলার পরিসর বাড়লেও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবতে হবে।


ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বইবিমুখ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি প্রয়োজনীয় হলেও বই পড়ার গভীরতা ও মানসিক বিকাশের বিকল্প নেই। পাঠাভ্যাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


ভবিষ্যতে বইমেলাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আয়োজনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে বিশ্বসাহিত্য ও বহুভাষা চর্চায় আগ্রহ বাড়বে। বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অমর একুশে বইমেলা সারাদেশে বিস্তৃত হয়ে উঠবে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও প্রজন্মের সেতুবন্ধনের প্রাণের মেলায়।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


দেশকে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্রে গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশটিকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। বইপড়া ও গবেষণাচর্চা বাড়িয়ে জ্ঞানভিত্তিক, মেধানির্ভর রাষ্ট্র গড়াই সরকারের লক্ষ্য।


বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, অমর একুশে বইমেলা শুধু বেচাকেনার উৎসব নয়; এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনার স্মারক এবং জাতির আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তবে মেলার পরিসর বাড়লেও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবতে হবে।


ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বইবিমুখ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি প্রয়োজনীয় হলেও বই পড়ার গভীরতা ও মানসিক বিকাশের বিকল্প নেই। পাঠাভ্যাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


ভবিষ্যতে বইমেলাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আয়োজনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে বিশ্বসাহিত্য ও বহুভাষা চর্চায় আগ্রহ বাড়বে। বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অমর একুশে বইমেলা সারাদেশে বিস্তৃত হয়ে উঠবে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও প্রজন্মের সেতুবন্ধনের প্রাণের মেলায়।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত