কুমিল্রার বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের মুড়িয়ারা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার রাতে হাজী বাড়ির ওমান প্রবাসী মো. মনির হোসেনের বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আগুনে দুটি বসতঘরসহ ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ফার্নিচার, কাপড়চোপড়সহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর বরুড়া ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী মো. মনির হোসেন ওমানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় গত তিন মাস ধরে সেদেশে কারাগারে আছেন। তার স্ত্রী জানান, “আমি এক কাপড়ে ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে কোনো রকমে ঘর থেকে বের হয়ে প্রাণে বেঁচেছি। আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব।” তিনি বরুড়া উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
কুমিল্রার বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের মুড়িয়ারা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার রাতে হাজী বাড়ির ওমান প্রবাসী মো. মনির হোসেনের বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ ঘরে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আগুনে দুটি বসতঘরসহ ঘরে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ফার্নিচার, কাপড়চোপড়সহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর বরুড়া ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী মো. মনির হোসেন ওমানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় গত তিন মাস ধরে সেদেশে কারাগারে আছেন। তার স্ত্রী জানান, “আমি এক কাপড়ে ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে কোনো রকমে ঘর থেকে বের হয়ে প্রাণে বেঁচেছি। আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব।” তিনি বরুড়া উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন