দৈনিক নয়াদিগন্তের কাছে কলাম লেখার পাওনা টাকা চাহিয়া গোলাম মাওলানা রনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক ফেইসবুক পোস্ট করেন।
তিনি লিখেন,
ইয়া আমির উল জামাত !
ইনসাফ চাই ! ইনসাফ চাই !
সম্মানিত রাহবার,
আপনাদের পত্রিকা দৈনিক নয়াদিগন্ত আমার প্রায় ৪ বছরের মেহনতের মূল্য পরিশোধ করছেনা । বহুজনে বহু নিবেদন করেও কাজ না হওয়ায় আপনার শরণাপন্ন হলাম।
আমি দীর্ঘদিন আপনাদের পত্রিকাটিতে উপসম্পাদকীয় লিখেছি। অন্যান্য পত্রিকা আমাকে যে সম্মানি দেয় তার মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ অর্থে আমি নয়া দিগন্তে কলাম লিখতাম এক ধরনের সহানুভূতির কারনে।
একটা সময় আপনাদের হয়তো অভাব ছিলো। কিন্তু আল্লাহর দয়ায় আপনারা সংকট মুক্ত। কিন্ত তারপরও কেন পাওনা পরিশোধ হচ্ছে না তা বোধগম্য নয় !
আমি খেটে খাওয়া মানুষ। জীবন জীবিকার জন্য এখনো আমাকে দৈনিক ১৮ ঘন্টা মেহনত করতে হয়। ৪ বছরে ২০০টি উপসম্পাদকীতে প্রায় ৫ লাখ শব্দ নিজের হাতে লিখতে আমাকে কি পরিমান শ্রম দিতে হয়েছে তা বোধকরি আপনি বুঝবেন।
সুতরাং আমার ঘাম,শ্রম,মেধা, মনন এবং আপনাদের প্রতি সহানুভূতির ইনসাফ চাই।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
দৈনিক নয়াদিগন্তের কাছে কলাম লেখার পাওনা টাকা চাহিয়া গোলাম মাওলানা রনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক ফেইসবুক পোস্ট করেন।
তিনি লিখেন,
ইয়া আমির উল জামাত !
ইনসাফ চাই ! ইনসাফ চাই !
সম্মানিত রাহবার,
আপনাদের পত্রিকা দৈনিক নয়াদিগন্ত আমার প্রায় ৪ বছরের মেহনতের মূল্য পরিশোধ করছেনা । বহুজনে বহু নিবেদন করেও কাজ না হওয়ায় আপনার শরণাপন্ন হলাম।
আমি দীর্ঘদিন আপনাদের পত্রিকাটিতে উপসম্পাদকীয় লিখেছি। অন্যান্য পত্রিকা আমাকে যে সম্মানি দেয় তার মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ অর্থে আমি নয়া দিগন্তে কলাম লিখতাম এক ধরনের সহানুভূতির কারনে।
একটা সময় আপনাদের হয়তো অভাব ছিলো। কিন্তু আল্লাহর দয়ায় আপনারা সংকট মুক্ত। কিন্ত তারপরও কেন পাওনা পরিশোধ হচ্ছে না তা বোধগম্য নয় !
আমি খেটে খাওয়া মানুষ। জীবন জীবিকার জন্য এখনো আমাকে দৈনিক ১৮ ঘন্টা মেহনত করতে হয়। ৪ বছরে ২০০টি উপসম্পাদকীতে প্রায় ৫ লাখ শব্দ নিজের হাতে লিখতে আমাকে কি পরিমান শ্রম দিতে হয়েছে তা বোধকরি আপনি বুঝবেন।
সুতরাং আমার ঘাম,শ্রম,মেধা, মনন এবং আপনাদের প্রতি সহানুভূতির ইনসাফ চাই।

আপনার মতামত লিখুন