কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই বড় আকারের মশার ঝাঁক চারদিকে উড়তে দেখা যায়। বাজার, দোকানপাট থেকে শুরু করে বাসা-বাড়ি—সব জায়গাতেই এখন মশার কয়েলের ব্যবহার চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অস্বস্তি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরুড়া পৌরসভা মাঝে মধ্যে মশা নিধনের জন্য ঔষধ ছিটালেও তা মূলত উপজেলা কমপ্লেক্স, হাসপাতাল এলাকা ও বাজারের আশপাশেই সীমাবদ্ধ থাকে। অথচ পৌরসভার আওতাধীন ও আশপাশের বহু গ্রামাঞ্চলে মশা নিধন কার্যক্রম খুব কমই দেখা যায়। ফলে গ্রামীণ জনপদগুলোতে মশার উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে।
মশার অতিরিক্ত বিস্তার শুধু অস্বস্তির কারণ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকিস্বরূপ। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া কিংবা ম্যালেরিয়ার মতো বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি বরুড়া উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি-র মাসিক সভাতেও মশার উপদ্রব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভাকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং গ্রামাঞ্চলেও নিয়মিতভাবে ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, শুধু ঔষধ ছিটানোই নয়—ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা গেলে মশার উপদ্রব অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বরুড়া পৌরসভা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম চালাবে। কারণ সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সবারই দায়িত্ব।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামলেই বড় আকারের মশার ঝাঁক চারদিকে উড়তে দেখা যায়। বাজার, দোকানপাট থেকে শুরু করে বাসা-বাড়ি—সব জায়গাতেই এখন মশার কয়েলের ব্যবহার চোখে পড়ার মতো বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অস্বস্তি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বরুড়া পৌরসভা মাঝে মধ্যে মশা নিধনের জন্য ঔষধ ছিটালেও তা মূলত উপজেলা কমপ্লেক্স, হাসপাতাল এলাকা ও বাজারের আশপাশেই সীমাবদ্ধ থাকে। অথচ পৌরসভার আওতাধীন ও আশপাশের বহু গ্রামাঞ্চলে মশা নিধন কার্যক্রম খুব কমই দেখা যায়। ফলে গ্রামীণ জনপদগুলোতে মশার উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে।
মশার অতিরিক্ত বিস্তার শুধু অস্বস্তির কারণ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকিস্বরূপ। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া কিংবা ম্যালেরিয়ার মতো বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি বরুড়া উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি-র মাসিক সভাতেও মশার উপদ্রব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভাকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং গ্রামাঞ্চলেও নিয়মিতভাবে ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, শুধু ঔষধ ছিটানোই নয়—ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা গেলে মশার উপদ্রব অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বরুড়া পৌরসভা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম চালাবে। কারণ সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সবারই দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন