ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি ফেরার পথে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়ন বোয়ালিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান শাহজালাল রতন। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ, ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাকসাম রেল স্টেশনে এক মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
শাহজালাল রতন চট্টগ্রামে কর্মস্থলে থাকতেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে আজ তিনি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি লাকসাম জংশনে পৌঁছালে তিনি ভুলবশত একটি ব্যাগ ট্রেনের ভেতরে রেখেই নেমে পড়েন। পরে ব্যাগটি আনতে পুনরায় ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে দিলে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে চাকার নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি ফেরার পথে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়ন বোয়ালিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান শাহজালাল রতন। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ, ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাকসাম রেল স্টেশনে এক মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
শাহজালাল রতন চট্টগ্রামে কর্মস্থলে থাকতেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে আজ তিনি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি লাকসাম জংশনে পৌঁছালে তিনি ভুলবশত একটি ব্যাগ ট্রেনের ভেতরে রেখেই নেমে পড়েন। পরে ব্যাগটি আনতে পুনরায় ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রেনটি স্টেশন ছেড়ে দিলে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে চাকার নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

আপনার মতামত লিখুন