শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিশেষ অভিযানে অবৈধ বালুভর্তি একটি ট্রাকসহ দুই বালু পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে উপজেলার গজনী সড়ক এলাকা থেকে প্রায় ৫ টন ওজনের একটি অবৈধ বালুভর্তি ট্রাক জব্দ করা হয়।
এ সময় বালু পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন— মো. সাগর মিয়া (২২), পিতা: মো. তোফাজ্জল হোসেন, গ্রাম: সারিকালি নগর এবং মো. হাসমত আলী (৩২), পিতা: মৃত আজিজুল হক, গ্রাম: রাংটিয়া; উভয়ই ঝিনাইগাতী উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, জব্দকৃত ট্রাক ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৯(৪) অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার সব বালুমহাল বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল, ঝোড়া ও গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার চালিয়ে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গারো পাহাড়ের গজনী, হালচাটি, বাঁকাকুড়া ও গান্দিগাঁও এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে এবং পাহাড়ি নদী-ঝর্ণা থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। গভীর রাতে ট্রলি ও পিকআপযোগে এসব বালু দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পদ লুটপাট হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিশেষ অভিযানে অবৈধ বালুভর্তি একটি ট্রাকসহ দুই বালু পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে উপজেলার গজনী সড়ক এলাকা থেকে প্রায় ৫ টন ওজনের একটি অবৈধ বালুভর্তি ট্রাক জব্দ করা হয়।
এ সময় বালু পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন— মো. সাগর মিয়া (২২), পিতা: মো. তোফাজ্জল হোসেন, গ্রাম: সারিকালি নগর এবং মো. হাসমত আলী (৩২), পিতা: মৃত আজিজুল হক, গ্রাম: রাংটিয়া; উভয়ই ঝিনাইগাতী উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, জব্দকৃত ট্রাক ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৯(৪) অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার সব বালুমহাল বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল, ঝোড়া ও গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার চালিয়ে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গারো পাহাড়ের গজনী, হালচাটি, বাঁকাকুড়া ও গান্দিগাঁও এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কেটে এবং পাহাড়ি নদী-ঝর্ণা থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। গভীর রাতে ট্রলি ও পিকআপযোগে এসব বালু দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পদ লুটপাট হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন