ঢাকা   শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাকিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ



সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাকিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাকিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০১৪ সালের ২৩ মার্চ বিকেল তিনটা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে হৃদরোগে মারা যান আবদুল হাকিম। তিনি ১৯৭০, ১৯৭৩, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালে বরুড়া থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এতোবার এই আসন থেকে কোন রাজনৈতিক নেতা এমপি হননি।


আবদুল হাকিম সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। রাজনীতিতে টাকা বিলানো তিনি পছন্দ করতেন না। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের আদর্শের ধারক ও বাহক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। বরুড়ায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। তাঁর সহধর্মিনী গত হয়েছেন ১৯৯৬ সালের এপ্রিল মাসে। স্ত্রীর মৃত্যুর ১৮ বছর পর তিনি মারা যান। স্ত্রীর নামে বরুড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন রেহানা কারিগরি কলেজ। মায়ের নামে করেন জহিরা মহিলা কলেজ। বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজ, বরুড়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাঁর হাতে গড়া। তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

আবদুল হাকিম মানুষ কে সম্মান করতেন। ছোটবড় সবাইকে আপনি বলতেন। 


রাজনীতিতে তাঁকে কেউ সজোরে খামচি না দিলে তিনি প্রতিবাদ করতেন না। শেষ জীবনে তাঁর বহুকর্মী তাঁর সঙ্গে বেইমানি করেন। তিনি বলতেন, আমি তো টাকা দিতে পারব না। এখন টাকার যুগ। টাকা ছিটানোর যুগ। আমি অচল টাকার ক্ষেত্রে।

আবদুল হাকিম বুদ্ধিমান ছিলেন। তিনি তেলের ব্যবসা, পেট্রোল পাম্পের ব্যবসা করতেন। কুমিল্লা শহরে প্রবেশের প্রায় সব পথে তাঁর পেট্রল পাম্প। 

খুব হিসেব করে চলতেন। পা থেকে মাথা পর্যন্ত ছিলেন সৎ, আদর্শবান। কোন বিষয়ে অহংকার করতেন না। সাদাসিধে জীবন ছিল তাঁর। 

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাকিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল হাকিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০১৪ সালের ২৩ মার্চ বিকেল তিনটা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে হৃদরোগে মারা যান আবদুল হাকিম। তিনি ১৯৭০, ১৯৭৩, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালে বরুড়া থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এতোবার এই আসন থেকে কোন রাজনৈতিক নেতা এমপি হননি।


আবদুল হাকিম সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। রাজনীতিতে টাকা বিলানো তিনি পছন্দ করতেন না। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের আদর্শের ধারক ও বাহক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। বরুড়ায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। তাঁর সহধর্মিনী গত হয়েছেন ১৯৯৬ সালের এপ্রিল মাসে। স্ত্রীর মৃত্যুর ১৮ বছর পর তিনি মারা যান। স্ত্রীর নামে বরুড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন রেহানা কারিগরি কলেজ। মায়ের নামে করেন জহিরা মহিলা কলেজ। বরুড়া শহীদস্মৃতি সরকারি কলেজ, বরুড়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাঁর হাতে গড়া। তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

আবদুল হাকিম মানুষ কে সম্মান করতেন। ছোটবড় সবাইকে আপনি বলতেন। 


রাজনীতিতে তাঁকে কেউ সজোরে খামচি না দিলে তিনি প্রতিবাদ করতেন না। শেষ জীবনে তাঁর বহুকর্মী তাঁর সঙ্গে বেইমানি করেন। তিনি বলতেন, আমি তো টাকা দিতে পারব না। এখন টাকার যুগ। টাকা ছিটানোর যুগ। আমি অচল টাকার ক্ষেত্রে।

আবদুল হাকিম বুদ্ধিমান ছিলেন। তিনি তেলের ব্যবসা, পেট্রোল পাম্পের ব্যবসা করতেন। কুমিল্লা শহরে প্রবেশের প্রায় সব পথে তাঁর পেট্রল পাম্প। 

খুব হিসেব করে চলতেন। পা থেকে মাথা পর্যন্ত ছিলেন সৎ, আদর্শবান। কোন বিষয়ে অহংকার করতেন না। সাদাসিধে জীবন ছিল তাঁর। 


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত