রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে একটি যাত্রীবাহী বাস। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি নদীতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীবোঝাই বাসটি ফেরিতে উঠতে গিয়ে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মার পানিতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজ শুরু করে। পাশাপাশি ঢাকা সদর দপ্তর থেকেও অতিরিক্ত ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এখন পর্যন্ত পাঁচ থেকে সাতজন নিজ উদ্যোগে পাড়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া স্থানীয়দের সহায়তায় অন্তত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছেন। তবে নদীর স্রোত ও গভীরতার কারণে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে, যা উদ্ধারকাজে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফেরিতে ওঠার সময় অসতর্কতা বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন সবাইকে ধৈর্য ধরে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে একটি যাত্রীবাহী বাস। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি নদীতে তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীবোঝাই বাসটি ফেরিতে উঠতে গিয়ে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি পদ্মার পানিতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজ শুরু করে। পাশাপাশি ঢাকা সদর দপ্তর থেকেও অতিরিক্ত ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এখন পর্যন্ত পাঁচ থেকে সাতজন নিজ উদ্যোগে পাড়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া স্থানীয়দের সহায়তায় অন্তত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছেন। তবে নদীর স্রোত ও গভীরতার কারণে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিঘাট এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে, যা উদ্ধারকাজে কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফেরিতে ওঠার সময় অসতর্কতা বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন সবাইকে ধৈর্য ধরে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন