ঢাকা   মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

তেল সংকট, লাইনে ভোগান্তি

ঝিনাইদহে ৯০ হাজার হেক্টর ইরি আবাদ হুমকিতে



ঝিনাইদহে  ৯০ হাজার হেক্টর ইরি আবাদ হুমকিতে

ঝিনাইদহে জ্বালানি তেলকে ঘিরে অস্থিরতা বাড়ছে। জেলার ৩৬টি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভোর থেকে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভিড় মোটরসাইকেল চালকদের। অভিযোগ উঠেছে, গুজব ছড়িয়ে তেল মজুদ এবং একাধিকবার তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ডিজেল না পেয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলা জুড়ে মোট ৩৬টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৬টি, শৈলকুপায় ৫টি, হরিণাকুন্ডুতে ১টি, কালীগঞ্জে ৮টি, কোটচাঁদপুরে ৩টি ও মহেশপুরে ৩টি স্টেশন রয়েছে। সংকটের শুরু থেকেই এসব স্টেশনে ভিড় বাড়তে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক পরিচয় গোপন করে দিনে দুই থেকে তিনবার তেল নিচ্ছেন। 


আবার কেউ কেউ প্রয়োজন না থাকলেও অল্প অল্প করে তেল সংগ্রহ করছেন। একই সঙ্গে শহর থেকে তেল কিনে বেশি দামে গ্রামে বিক্রির ঘটনাও ঘটছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ডিজেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এর প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। জেলায় প্রায় ৯০ হাজার হেক্টর ইরি আবাদ এখন হুমকির মুখে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি কৃষক সেজে ডিজেল সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬


ঝিনাইদহে ৯০ হাজার হেক্টর ইরি আবাদ হুমকিতে

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহে জ্বালানি তেলকে ঘিরে অস্থিরতা বাড়ছে। জেলার ৩৬টি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে ভোর থেকে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভিড় মোটরসাইকেল চালকদের। অভিযোগ উঠেছে, গুজব ছড়িয়ে তেল মজুদ এবং একাধিকবার তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ডিজেল না পেয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।


ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলা জুড়ে মোট ৩৬টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৬টি, শৈলকুপায় ৫টি, হরিণাকুন্ডুতে ১টি, কালীগঞ্জে ৮টি, কোটচাঁদপুরে ৩টি ও মহেশপুরে ৩টি স্টেশন রয়েছে। সংকটের শুরু থেকেই এসব স্টেশনে ভিড় বাড়তে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনেক মোটরসাইকেল চালক পরিচয় গোপন করে দিনে দুই থেকে তিনবার তেল নিচ্ছেন। 


আবার কেউ কেউ প্রয়োজন না থাকলেও অল্প অল্প করে তেল সংগ্রহ করছেন। একই সঙ্গে শহর থেকে তেল কিনে বেশি দামে গ্রামে বিক্রির ঘটনাও ঘটছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ডিজেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


এর প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। জেলায় প্রায় ৯০ হাজার হেক্টর ইরি আবাদ এখন হুমকির মুখে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি কৃষক সেজে ডিজেল সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত