ঢাকা   রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

মোংলায় নদী পারাপারের চরম দুর্ভোগ, ঘটছে দুর্ঘটনা



মোংলায় নদী পারাপারের চরম দুর্ভোগ, ঘটছে দুর্ঘটনা

বাগেরহাটের মোংলায় নদী পারাপারের সময় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মোংলা রপ্তানি  প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। 

বুধবার (০১'এপ্রিল) সকালে খেয়া পার হওয়ার সময় অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় বর্তমানে মোংলা ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালেও কয়েক হাজার শ্রমিক নদী পার হয়ে তাদের কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য ঘাটে জড়ো হন। পারাপারের সময় ট্রলারে ওঠার জন্য অতিরিক্ত যাত্রী চাপ এবং শ্রমিকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়। 

এক পর্যায়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে অনেক শ্রমিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যান এবং একে অপরের ওপর আছড়ে পড়েন। এতে অন্তত দুই শতাধিক শ্রমিক শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন।

আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসক শারমীন আক্তার সুমি। 


তবে প্রশাসনের এমন আশ্বাসে শান্ত নন শ্রমিকরা। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবার শুধু মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং নিরাপদ পারাপারের বাস্তব ও স্থায়ী সমাধান দেখতে চান তারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


মোংলায় নদী পারাপারের চরম দুর্ভোগ, ঘটছে দুর্ঘটনা

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের মোংলায় নদী পারাপারের সময় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মোংলা রপ্তানি  প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। 


বুধবার (০১'এপ্রিল) সকালে খেয়া পার হওয়ার সময় অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় বর্তমানে মোংলা ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।


স্থানীয় সূত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালেও কয়েক হাজার শ্রমিক নদী পার হয়ে তাদের কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য ঘাটে জড়ো হন। পারাপারের সময় ট্রলারে ওঠার জন্য অতিরিক্ত যাত্রী চাপ এবং শ্রমিকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়। 


এক পর্যায়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে অনেক শ্রমিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যান এবং একে অপরের ওপর আছড়ে পড়েন। এতে অন্তত দুই শতাধিক শ্রমিক শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন।


আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌর প্রশাসক শারমীন আক্তার সুমি। 


তবে প্রশাসনের এমন আশ্বাসে শান্ত নন শ্রমিকরা। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবার শুধু মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং নিরাপদ পারাপারের বাস্তব ও স্থায়ী সমাধান দেখতে চান তারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত