ঢাকা   রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

​দুবাইয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রাহ্মণপাড়ার প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া



​দুবাইয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রাহ্মণপাড়ার প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে এক যুগ আগে পাড়ি জমিয়েছিলেন মরুভূমির দেশে। কয়েক দফা ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার ফিরে গেছেন কর্মস্থলে। কিন্তু এবার আর ফেরা হলো না শাহ আলম ভূঁইয়ার (৪৫)। দুবাইয়ে কর্মস্থলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

​গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে দুবাইয়ের নিজ কর্মস্থলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) মৃত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে।


​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে প্রথমবার জীবিকার সন্ধানে দুবাই যান শাহ আলম। সর্বশেষ গত ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছিলেন। চার সন্তানের জনক শাহ আলমের এমন অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে।


​শাহ আলমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, "শাহ আলমের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।"



​নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


​দুবাইয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রাহ্মণপাড়ার প্রবাসী নিহত, এলাকায় শোকের ছায়া

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে এক যুগ আগে পাড়ি জমিয়েছিলেন মরুভূমির দেশে। কয়েক দফা ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার ফিরে গেছেন কর্মস্থলে। কিন্তু এবার আর ফেরা হলো না শাহ আলম ভূঁইয়ার (৪৫)। দুবাইয়ে কর্মস্থলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।

​গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে দুবাইয়ের নিজ কর্মস্থলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) মৃত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে।


​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে প্রথমবার জীবিকার সন্ধানে দুবাই যান শাহ আলম। সর্বশেষ গত ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছিলেন। চার সন্তানের জনক শাহ আলমের এমন অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে।


​শাহ আলমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, "শাহ আলমের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।"



​নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত